হার দিয়ে আইপিএল অভিযান শুরু করেছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। যদিও সেই দলে ছিলেন না শচীনপুত্র। সেই অর্জুন তেণ্ডুলকরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ যুবরাজ সিং। কিছুদিন আগেই যাঁকে নিয়ে বাগযুদ্ধ লেগে গিয়েছিল প্রাক্তন ক্রিকেটার যোগরাজ সিং এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মধ্যে। অশ্বিন বলেছিলেন 'সুযোগ পাবেন না অর্জুন'। অন্যদিকে, অর্জুনের ভবিষ্যৎ নিয়ে শচীনপুত্রকে ‘বদলে’ না ফেললে দাড়ি কেটে ফেলবেন। বলেছিলেন অর্জুনের ব্যাটিং দক্ষতার দিকেও জোর দেওয়া উচিত। এই আবহে ২৪ বছরের ক্রিকেটারকে নিয়ে যোগরাজের সঙ্গে মতবিরোধ যুবরাজের।
একটা সময় অর্জুন তাঁর আদর্শ যুবরাজ এবং যোগরাজ সিংয়ের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এক সংবাদমাধ্যমকে যুবরাজ বলেন, অর্জুনকে ট্রেনিং দেওয়া তাঁর কাছে অসাধারণ এক মুহূর্ত। তিনি বলেন, "আমি ওর বাবার কাছ থেকেই মানসিক, শারীরিক ও টেকনিক্যাল লড়াইয়ের শিক্ষা পেয়েছি। এখন সেই শিক্ষাই অর্জুনকে দিচ্ছি। ও খুব ভদ্র ছেলে, দ্রুত শেখে। যেভাবে পরিশ্রম করতে পারে, তা সত্যিই অবাক করার মতো। আমি নিজেও হয়তো এতটা পরিশ্রম করতাম না।"
ট্রেনিংয়ের সময় অর্জুনকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন যোগরাজও। তিনি সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, অর্জুনকে কেবল বোলার হিসাবে দেখা ঠিক নয়। তাঁর ব্যাটিং সামর্থ্যকেও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তবে বাবার সঙ্গে একমত নন যুবরাজ। তাঁর বক্তব্য, অর্জুনের ব্যাটিংয়ে এখনও পরিপক্বতার ঘাটতি রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে অর্জুনকে মূলত বোলার হিসেবেই দেখা উচিত। যুবরাজ বলছেন, "ও শুরু থেকেই একজন বোলার হিসাবে বেশি স্বচ্ছন্দ ছিল। এখনও ব্যাটিং শিখছে। যদি এই পরিশ্রম ধরে রাখে, উন্নতি নিশ্চিত। আমার মতে, ও একজন বোলার, যে ব্যাট করতে পারে। যেমন আমি ছিলাম একজন ব্যাটার, যে বোলিংও করত।"
যোগরাজ বলেছিলেন, “ওর মেরুদণ্ডে সমস্যা ছিল। বল করার সময় ওর হাত ৪৫ ডিগ্রি থেকে নীচে নেমে আসে। আমি ওর সঙ্গে কথাও বলেছি। গোয়া ক্রিকেট দলে থাকার সময় ওর কোচকেও এই বিষয়টি জানিয়েছিলাম।” এখানেই শেষ নয়, অর্জুনের ভবিষ্যৎ নিয়ে বলেছিলেন, “তোমরা যদি না পারো, তাহলে ওকে আমার কাছে পাঠাও। আমি সারা বিশ্বের সামনে চ্যালেঞ্জ করছি, অর্জুন যদি আমার কাছে ছ’মাস প্রশিক্ষণ নেয়, তবে আমি ওকে বিশ্বের সেরা ব্যাটারদের থেকেও এগিয়ে নিয়ে যাব। আর যদি তা না পারি, তাহলে আমি নিজের দাড়ি কেটে ফেলব।” আর এবার উঠে এল যুবরাজের মন্তব্যও।
