সাত জন্মের বন্ধনে বাঁধা পড়লেন বিজয়-রশ্মিকা। সোশাল মিডিয়া জুড়ে তাঁদের বিয়ের ছবি-ভিডিও নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। কেউ বলছেন, পোশাক-গয়না সবেতেই সাবেকিয়ানার ছোঁয়া। ভারতের ঐতিহ্যবাহী এই সাজে সাক্ষাৎ রাম-সীতা লাগছে তাঁদের। কেউ বা ট্রেন্ডিং প্যাস্টেল শেডস্-এর বদলে সাজে লাল-সোনালি রংকে প্রাধান্য দেওয়ায়, বিজয়-রশ্মিকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
বর কনের গালে আঁকা এই কালো টিকার নাম ‘দৃষ্টি বট্টু’। বাড়ির গুরুজনেরা নবদম্পতির মঙ্গল কামনায় এমন টিকা দিয়ে থাকেন। হিন্দু শাস্ত্রে এই কালো টিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
এই সেলিব্রিটি যুগলের মেক-আপ খুঁটিয়ে দেখলে চোখে পড়ে, বর-বৌ দুজনের গালেই একরত্তি কালো টিকা। প্রথম দর্শনে যা তিল ভেবে ভুল হয়ে যায়! ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে কিন্তু গালে এমন কালো টিকা এঁকে দেওয়া অত্যন্ত সাধারণ ব্যাপার। বিশেষত, বিয়ের সাজের এ এক অবিচ্ছিন্ন অঙ্গই বলা চলে। সিঁদুর কিংবা মঙ্গলসূত্রের মতোই, এই টিকা ছাড়াও অসম্পূর্ণ বিয়ের নিয়মরীতি। বিশেষত, বিয়ের সাজের এ এক অবিচ্ছিন্ন অঙ্গই বলা চলে। কিন্তু এর বিশেষত্ব কী, তা জানেন?
বর কনের গালে আঁকা এই কালো টিকার নাম ‘দৃষ্টি বট্টু’। বাড়ির গুরুজনেরা নবদম্পতির মঙ্গল কামনায় এমন টিকা দিয়ে থাকেন। হিন্দু শাস্ত্রে এই কালো টিকার গুরুত্ব অপরিসীম। মনে করা হয়, আমাদের চারপাশে যে অশুভ শক্তি মিশে থাকে হাওয়া বাতাসে, তার কুনজর মানুষ, প্রাণী এমনকী জিনিসের প্রতিও পড়তে পারে। এই নেগেটিভ এনার্জির হাত থেকে বাঁচাতে, রক্ষাকবচের মতো কাজ করে কালো টিকা বা দৃষ্টি বট্টু। এ কারণে সদ্যোজাত শিশুর কপালের একপাশে কালো টিকা এঁকে দেয় মা।
বিয়ের সাজে নতুন জীবনে পা রাখার জন্য যখন প্রস্তুত হয় বর কনে, তখন নজর লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে প্রবল! অশুভ শক্তিরা এ সময়েই ক্ষতি করতে চায় এই যুগলের। দৃষ্টি বট্টু তাঁদের রক্ষা করে এ সময়ে। অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, কেরল, মহারাষ্ট্রের বিয়ের সাজে এই বিশেষ কালো টিকা দেখতে পাওয়া যায়। অশুভ শক্তিকে প্রতিহত করার পাশাপাশি নবদম্পতির জীবনে শুভ শক্তির পথ প্রশস্ত করে এই দৃষ্টি বট্টু।
