shono
Advertisement
Suro Bharati Sangeet Kala Kendra

সাফল্যের বিশ্বমঞ্চে সুরভারতী, তিলোত্তমার ‘প্রতিভা’ সমাবেশে শামিল প্রসেনজিৎ-দেব

সুরভারতীর সভাপতি ও সিইও অরিজিৎ চক্রবর্তী মতে, এই জয় কোনও একক ব্যক্তির নয়। শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবক— সকলের একনিষ্ঠ পরিশ্রমেই এই ইতিহাস লেখা সম্ভব হয়েছে।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 02:37 PM Jan 21, 2026Updated: 04:02 PM Jan 21, 2026

অনুষ্ঠান তো অনেকেই করে, কিন্তু ইতিহাস ক’জন গড়তে পারে? সেই অসাধ্যই সাধন করে দেখাল ‘সুরভারতী সঙ্গীত কলাকেন্দ্র’। সম্প্রতি কলকাতার বুকে সুসম্পন্ন হল তাদের বার্ষিক সমাবর্তন ২০২৬। তবে এটি কেবল একটি অনুষ্ঠান হয়ে থাকেনি, হয়ে উঠেছে বিশ্বাস আর শুদ্ধতার এক অনন্য উৎসব।

Advertisement

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট নাট্যকার ও মন্ত্রী শ্রী ব্রাত্য বসু

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নাট্যকার ও মন্ত্রী শ্রী ব্রাত্য বসু, সংগীত শিল্পী মনোময় ভট্টাচার্য, শ্রী পার্থ ভৌমিক, সংগীত শিল্পী শ্রীকান্ত আচার্য, মদন মিত্র সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এবারের ‘প্রতিভা’ মঞ্চের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন দুই প্রজন্মের দুই মহাতারকা। একদিকে দশকের পর দশক ধরে বাঙালির আবেগের নাম প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে আজকের মেগাস্টার দেব। দুই নায়কের উপস্থিতিতে গোটা প্রেক্ষাগৃহে ছিল কার্যত উপচে পড়া ভিড়। প্রিয় তারকাদের সামনে থেকে দেখার মুগ্ধতা ছিল দর্শকদের চোখেমুখে। সমাবর্তনের মঞ্চে তখন যেন সুর আর গ্ল্যামারের এক মায়াবী সংমিশ্রণ।

সমাবর্তনের মঞ্চে শ্রী পার্থ ভৌমিক

তবে কেবল তারকা সমাবেশই নয়, এই সাফল্যের মূল ভিত্তি ছিল সম্মিলিত প্রচেষ্টা। সুরভারতীর সভাপতি ও সিইও অরিজিৎ চক্রবর্তী মতে, এই জয় কোনও একক ব্যক্তির নয়। শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবক— সকলের একনিষ্ঠ পরিশ্রমেই এই ইতিহাস লেখা সম্ভব হয়েছে। তাঁদের দাবি, প্রতিভা সমাবর্তন ২০২৬ আসলে সুরভারতীর মান এবং উন্নত দৃষ্টিভঙ্গির এক জীবন্ত উদাহরণ।

সুরভারতীর মঞ্চে উপস্থিত মেগাস্টার দেব

বর্তমানে সুরভারতী কেবল ভারতের নয়, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সাংস্কৃতিক পরীক্ষা গ্রহণকারী সংস্থা হিসেবে নিজেদেরকে মেলে ধরেছে। মেধা ও শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চাকে সঙ্গী করেই তাদের এই দীর্ঘ পথচলা।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মহানায়ক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

সম্মিলিত বিশ্বাস আর নিরন্তর প্রচেষ্টাই আজ সুরভারতীকে অন্যদের থেকে আলাদা করে রেখেছে। অনুষ্ঠান শেষেও দর্শকদের মনে রয়ে গিয়েছে একরাশ ভালো লাগা আর অগণিত ভালোবাসার মুহূর্ত। সব মিলিয়ে, ২০২৬-এর ‘প্রতিভা’ সমাবর্তন বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে রইল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement