shono
Advertisement

ঝড়বৃষ্টিতে ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি, মাথায় হাত বাংলার কৃষকদের

বুধবার সকাল থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি। সন্ধ্যা থেকে ঝোড়ো হাওয়া। তার ফলে যাচ্ছেতাই অবস্থা ধানের। বিরাট ক্ষতির মুখে পাকা বাংলার বোরো ধানচাষিরা। তার ফলে মাথায় হাত কৃষকদের।
Published By: Sayani SenPosted: 04:06 PM Apr 30, 2026Updated: 04:06 PM Apr 30, 2026

বুধবার সকাল থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি। সন্ধ্যা থেকে ঝোড়ো হাওয়া। তার ফলে যাচ্ছেতাই অবস্থা ধানের। বিরাট ক্ষতির মুখে পাকা বাংলার বোরো ধানচাষিরা। তার ফলে মাথায় হাত কৃষকদের। বৃহস্পতিবারও ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। আবারও প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে সবই ধানই নষ্ট হয়ে যাবে, এই আশঙ্কায় দু'চোখের পাতা এক করতে পারছেন না কৃষকরা।

Advertisement

বাংলার হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে মূলত বোরো ধান চাষ হয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, দাসপুর, কেশপুর, ডেবরাতে মূলত বোরো ধান চাষ হয়। এবার প্রায় ২ লক্ষ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। একে তো ভোটের কারণে জঙ্গলমহলের শ্রমিকরা কাজ করতে চাননি। তার ফলে ধান কেটে গোলায় তুলতে দেরি হয়েছে। আর তারই মাঝে বুধসন্ধ্যার ঝড়বৃষ্টি। সবমিলিয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে ধানচাষ। নুইয়ে পড়েছে বিঘার পর বিঘা ধানগাছ। পূর্ব মেদিনীপুরের ছবিও বেশ উদ্বেগজনক। এখানে মোটে ৩০ শতাংশ ধান কাটা সম্ভব হয়েছে। বাকি ৭০ শতাংশ ধান মাঠেই পড়ে রয়েছে। ঝড়বৃষ্টি সেই ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তার ফলে মাথায় হাত কৃষকদের। আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি-সহ বিভিন্ন এলাকায় ধানচাষে ক্ষতি হয়েছে।

তবে ঝাড়গ্রামের কৃষকদের কাছে বৃষ্টি যেন আশীর্বাদের মতো। প্রায় পনেরো দিন মাঠ থেকে ধান তোলার সময় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিনপুরে ১০ মিলিমিটার এবং ঝাড়গ্রামে ৬.২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তেমন ঝোড়ো হাওয়া না দেওয়ায় ধানের ক্ষতি হয়নি। বরং মিটেছে জলের ঘাটতি। তার ফলে নিশ্চিন্ত কৃষকরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement