পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন? ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট (West Bengal Assembly Election) শেষ হতেই এনিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়ে গিয়েছে। একাধিক সংস্থা এক্সিট পোলে নানারকম ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে পরিবর্তনের পাল্লা সামান্য ভারী। এসব উড়িয়ে অবশ্য চতুর্থবার বড়সড় ব্যবধানে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দীর্ঘ ৯ মিনিটের ভিডিও বার্তায় তাঁর সাফ কথা, ''ছাব্বিশে আমরা ২২৬ আসন পাব, সেটা ২৩০-ও হতে পারে।'' এবার বঙ্গজয়ের লক্ষে ঝাঁপিয়ে পড়া কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন সরকারকেও তোপ দাগলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি টাকা দিয়ে, ক্ষমতার চাপ দিয়ে নিজেদের এগিয়ে রাখা এক্সিট পোল তৈরি করেছে। 'গদি মিডিয়া'র কথাও বললেন। এক্সিট পোলকে বেশি গুরুত্ব নয়, ছাব্বিশে তৃণমূলই ফের সরকার গঠন করবে, এমনই আত্মপ্রত্যয়ের সুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
ভিডিও বার্তায় মমতা আরও বলেন, ‘‘আসলে ওরা (বিজেপি) ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স দিয়ে চমকাতে অভ্যস্ত। গতকাল (বুধবার) কেন্দ্রীয় বাহিনী খুব অভব্য আচরণ করেছে। মেয়েদের, বাচ্চাদের মেরেছে। পুলিশ, যারা এতদিন আমার হাতে ছিল না, তারাও একতরফাভাবে মারধর করেছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। এসব করেও তো ওরা মানুষের নিজের অধিকার প্রয়োগ থেকে মানুষকে আটকাতে পারেনি। আমার কাছে নির্দিষ্ট তথ্য আছে যে সত্যিটা বেরলে শেয়ার বাজারে ধস নামবে। সেটা আটকাতে ওরা মিডিয়াকে দিয়ে এসব সমীক্ষার রিপোর্ট বের করেছে। এটা ওদের শেষ চেষ্টা।''
ভিডিও বার্তায় মমতা আরও বলেন, ‘‘আসলে ওরা (বিজেপি) ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স দিয়ে চমকাতে অভ্যস্ত। গতকাল (বুধবার) কেন্দ্রীয় বাহিনী খুব অভব্য আচরণ করেছে। মেয়েদের, বাচ্চাদের মেরেছে। পুলিশ, যারা এতদিন আমার হাতে ছিল না, তারাও একতরফাভাবে মারধর করেছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। এসব করেও তো ওরা মানুষের নিজের অধিকার প্রয়োগ থেকে মানুষকে আটকাতে পারেনি। আমার কাছে নির্দিষ্ট তথ্য আছে যে সত্যিটা বেরলে শেয়ার বাজারে ধস নামবে। সেটা আটকাতে ওরা মিডিয়াকে দিয়ে এসব সমীক্ষার রিপোর্ট বের করেছে। এটা ওদের শেষ চেষ্টা।''
ভোটশেষে ইভিএম কারচুপির আশঙ্কা করে গণনাকেন্দ্র পাহারার কথা বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। দলের প্রার্থীদের তাঁর সুনির্দিষ্ট বার্তা, ভোটগণনার দিন যতক্ষণ না মমতা নিজে সাংবাদিক বৈঠকে জয় ঘোষণা করবেন, ততক্ষণ যেন গণনা টেবিল ছেড়ে কেউ না ওঠেন, তা বারবার করে বললেন নেত্রী। এছাড়া তৃণমূল কর্মীদের প্রতি তাঁর আরও বার্তা, ''শান্ত, সংযত থাকবেন। আইন হাতে তুলে নেবেন না। ওরা অত্যাচার করছে জানি। দিকে দিকে আমাদের নেতা-কর্মীদের উপর মারধর করেছে। তা সত্ত্বেও বলব, এর জবাব আমরা দেব। আপনারা কোনও অবস্থায় নিজেরা আইন হাতে তুলে নেবেন না। আপনারা দিদির উপর ভরসা রাখুন, বাংলার মা-মাটি-মানুষের উপর ভরসা রাখুন।''
