ঝকঝকে কালো চুল কার না পছন্দ? তবে, চুলের স্বাস্থ্য বজায় রেখে ফ্যাশনদুরস্ত হওয়া চাট্টিখানি কথা নয়! এর জন্য কথায় কথায় স্পা, কেরোটিন বা স্মুদনিং নয়। ভরসা বাড়াচ্ছে হালফিলের হেয়ার ট্রিটমেন্ট। এসব থেরাপিতে টাকে নতুন করে চুল গজানো থেকে শুরু করে নয়া স্টাইলিশ লুক, সব সম্ভব। টলি-বলি তারকাদের পছন্দের এই থেরাপির খরচও মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যেই। এখানেই শেষ নয়। খুশির খবর হল, এই আধুনিক ট্রিটমেন্টগুলো এখন আপনার হাতের নাগালেই, খাস কলকাতায়। বাজেটের মধ্যেই বদলে ফেলতে পারেন নিজের লুক।
ছবি: সংগৃহীত
১. পুষ্টির খনি হেয়ার বোটক্স
ত্বকের ভাঁজ কমাতে বোটক্সের কথা সবাই জানেন। কিন্তু চুলের বোটক্স একেবারেই আলাদা। এতে কোনও বিষাক্ত টক্সিন নেই। বরং এটি প্রোটিন, কোলাজেন এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের এক জাদুকরি মিশ্রণ। এতে চুল সোজা হয়ে নেতিয়ে যায় না, বরং স্বাভাবিক জেল্লা ফেরে। খরচ কত? চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী আড়াই থেকে আট হাজারের মধ্যে।
ছবি: সংগৃহীত
২. চুলের সেরা দাওয়াই ন্যানোপ্লাস্টিয়া
যাঁদের চুল অতিরিক্ত রুক্ষ বা রাসায়নিক ব্যবহারে ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁদের জন্য ন্যানোপ্লাস্টিয়া সেরা দাওয়াই। ন্যানো-পার্টিকল সরাসরি চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দেয়। এতে ক্ষতিকর ফর্মালডিহাইড নেই। এর স্থায়িত্ব প্রায় ছয় থেকে আট মাস। সালোঁ ভেদে খরচ পড়বে চার থেকে পনেরো হাজার।
ছবি: সংগৃহীত
৩. রঙের কারিকুরি সামলাতে ওলাপ্লেক্স
ঘন ঘন চুলে রং বা ব্লিচ করিয়ে আগেই বারোটা বাজিয়েছেন? তাহলে ওলাপ্লেক্স হতে পারে আপনার মুশকিল আসান। এটি চুলের নষ্ট হয়ে যাওয়া প্রোটিন বন্ধনগুলিকে নতুন করে জুড়ে দেয়। চুলের ভাঙন রোধ করতে এর জুড়ি মেলা ভার। প্রতি সেশনে খরচ হতে পারে আড়াই থেকে ছয় হাজার টাকা।
ছবি: সংগৃহীত
৪.কেরাটিনের বিকল্প সিস্টিন থেরাপি
কেরাটিনের চেয়েও নিরাপদ বিকল্প খুঁজলে সিস্টিন থেরাপি বেছে নিন। এটি মূলত একটি অ্যামিনো অ্যাসিড। এতে কোনও কড়া রাসায়নিক থাকে না। চুল মসৃণ ও প্রাণবন্ত হয়, কিন্তু একদম সোজা হয়ে যায় না। খরচ পাঁচ থেকে বারো হাজার টাকার কাছাকাছি।
ছবি: সংগৃহীত
৫. অকাল টাকে ওজোন থেরাপি
অকাল টাক বা খুশকির সমস্যায় ভুগলে ওজোন থেরাপি দারুণ কার্যকর। এটি মাথার ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। সেশন পিছু খরচ ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা। অন্যদিকে, চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে পিআরপি থেরাপি এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়। এর খরচ সেশন প্রতি তিন থেকে সাত হাজার টাকা।
