সূচনা হয়েছে আষাঢ় মাসের। গরমের দাপট তাতে না কমলেও, মাঝে মধ্যে কপালক্রমে দেখা মিলে যাচ্ছে বৃষ্টির। আর বৃষ্টি মানেই মন চাইবে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চায়ের সঙ্গে প্লেটভর্তি গরম গরম মুচমুচে পকোড়া। আকাশ কালো হয়ে মেঘেদের ভিড় যখন-তখন হতেই পারে। বৃষ্টিও তো আর বলে কয়ে আসবে না। বরং আসন্ন বর্ষাকালের কথা মাথায় রেখে প্রস্তুত থাকা যেতে পারে বিবিধ সহজ পকোড়ার (Pakora recipes) হদিশ নিয়ে।
পিঁয়াজি। কাঁচালঙ্কার পকোড়া। পনির পকোড়া। আলুর পকোড়া।
আলুর পকোড়া
বর্ষাকালে চায়ের সঙ্গে বুঝি সবথেকে বেশি এই পকোড়াই খাওয়া হয়। বেসন জলে গুলে প্রয়োজনমতো লবণ-লঙ্কাগুঁড়ো মেশাতে হবে। আলু পাতলা ফালি করে কেটে, বেসনে ডুবিয়ে ডুবো তেলে ভাজলেই হল। টোম্যাটো সসের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।
পিঁয়াজি
রেসিপি প্রায় একই বলা চলে। লবণ-লঙ্কাগুঁড়ো ছাড়াও বেসনে মেশানো যায় হলুদ, কাঁচা লঙ্কা কুচি। ফালি করে পিঁয়াজ কেটে, বেসনে চুবিয়ে তেলে ভাজলেই হল। তবে জলে গোলার সময় বেসন যেন বেশি পাতলা না হয়ে যায়, সেদিক খেয়াল রাখা জরুরি।
পনির পকোড়া
পনিরের নিজস্ব স্বাদ নেই। তাই ছোট টুকরোয় কেটে বেসনে চুবিয়ে নেওয়া যায়। মশলাপাতি ছাড়াও বেসনে মেশানো যেতে পারে ধনেপাতা কুচি। অনেকে আবার বড় টুকরোয় কাঁটা পনির পছন্দ করেন। পরিবেশনের সময় পুদিনার চাটনি রাখা যেতে পারে সঙ্গে।
ফুলকপির পকোড়া
মাঝারি টুকরোয় ফুলকপি কেটে নুন-জলে ভাপিয়ে নিতে হবে। তারপর বেসনের ব্যাটারে ডুবিয়ে ভাজতে হবে ডুবো তেলে। তৈরি হয়ে গেলে, উপরে ছড়িয়ে দিন গোলমরিচ গুঁড়ো। পুদিনা অথবা তেঁতুলের চাটনির সঙ্গে দিব্যি জমে যায়!
ফুলকপির পকোড়া। ব্রেড পকোড়া।
কাঁচালঙ্কার পকোড়া
রান্নায় ঝাল বাড়াতে যে লঙ্কা ব্যবহার হয়, পকোড়ার জন্য সাধারণত তা ব্যবহার হয় না। বরং হাতের তালুর সমান লম্বা, উজ্জ্বল সবুজ রঙের বিশেষ কাঁচালঙ্কা দিয়ে তৈরি হয় পকোড়া। এতে ঝাল কম থাকে। লঙ্কা অর্ধেক ফালি করে বেসনে ডুবিয়ে ভেজে নিলেই রেডি। সঙ্গে মিষ্টি টোম্যাটো সস বা মেয়োনিজ রাখা যেতে পারে।
ব্রেড পকোড়া
পাউরুটির টুকরো ত্রিকোণ আকারে কেটে দিয়ে, দুই স্লাইসের মাঝে মশলাদার আলুর পুর ভরে দিন। তারপর তার বেসনের পাতলা ব্যাটারে ডুবিয়ে ভেজে নিতে হবে গরম তেলে। অনেকে আবার এমন স্যান্ডউইচ না বানিয়ে কেবল একফালি পাউরুটিকেই বেসনে চুবিয়ে ভাজেন। সেক্ষেত্রে বেসনে কাঁচালঙ্কা, পিঁয়াজ, টোম্যাটো, ধনেপাতার কুচি মিশিয়ে নিতে হবে। সঙ্গে টোম্যাটো সস থাকলে আর অন্য কিছুর দরকার পড়বে না।
