গত মরশুমে জামশেদপুর-মোহনবাগান ম্যাচ দেখতে গিয়ে পুলিশ ও জামশেদপুর এফসি'র সমর্থকদের হাতে আক্রান্ত হতে হয়েছিল একদল মোহনবাগান সমর্থককে। কয়েকজনকে হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি করতে হয়েছিল। এই মরশুমেও সিঙ্গল রবিন লিগে মোহনবাগানের ম্যাচ রয়েছে জামশেদপুরে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য সবুজ-মেরুন সমর্থকদের জন্য আলাদা স্ট্যান্ড বরাদ্দ করেছে জামশেদপুর কর্তৃপক্ষ।
মোহনবাগান ম্যানেজমেন্টের তরফে জামশেদপুর এফসি'র কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল মোহনবাগান ম্যাচে তাদের সমর্থকদের জন্য আলাদা স্ট্যান্ডের ব্যবস্থা করার জন্য। জামশেদপুর কর্তৃপক্ষ মোহনবাগান ম্যানেজমেন্টের অনুরোধ শুনে চার হাজার চেয়ার বিশিষ্ট একটি স্ট্যান্ড বরাদ্দ করেছে মোহনবাগান সমর্থকদের জন্য।
সবুজ-মেরুন সমর্থকদের জন্য আপার স্ট্যান্ড বরাদ্দ করা হয়েছে। মোহনবাগান সমর্থকদের মেন গেট দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। জামশেদপুর এফসি'র তরফে সমর্থকদের জন্য একটি কোড অফ কন্ডাক্ট চালু করা হচ্ছে। যা কঠোরভাবে মানতে হবে সব সমর্থককেই। উল্লেখ্য, গত বছর আইএসএল সেমিফাইনালের প্রথম পর্ব দেখতে জামশেদপুরে হাজির হয়েছিলেন মোহনবাগানের অনেক সভ্য-সমর্থক। সেখানে আক্রান্ত হয়েছিলেন বনগাঁর রিপন মণ্ডল-সহ সৌরভ সরকার, শিলাজিৎ দাসরাও। ঘটনার সূত্রপাত জামশেদপুরের জাভি সিভেরিও গোল করার পর। সেই সময় সাউথ ওয়েস্ট অ্যাওয়ে গ্যালারিতে মোহনবাগান সমর্থকদের আনা সবুজ-মেরুন পতাকা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে কিছু জামশেদপুর এফসি'র সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
জেসন কামিংসদের সঙ্গে জামশেদপুর এফসি'র পরবর্তী ম্যাচ ৪ এপ্রিল। এই ম্যাচের টিকিট সংক্রান্ত কোনও আপডেট পেতে ডিস্ট্রিক্ট বাই জোম্যাটো অ্যাপ ডাউনলোড করার কথা বলা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই দুই দলই ৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পেলেও গোল পার্থক্যে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছেন কামিংসরা। তৃতীয় স্থানে জামশেদপুর। তাই পরবর্তী ম্যাচ যথেষ্টই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ হবে ধরেই নেওয়া যায়। মোহনবাগান ফুটবলাররাও জামশেদপুর ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। যদিও শুক্রবার জেমি ম্যাকলারেন অনুপস্থিত ছিলেন অনুশীলনে।
