ইস্টবেঙ্গল ৩ (জেসিন, জোসেফ, বেলাল)
জর্জ টেলিগ্রাফ ০
জয় দিয়ে কলকাতা লিগের (CFL 2026) অভিযান শুরু করল গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। প্রতিপক্ষ ছিল জর্জ টেলিগ্রাফ। মনে রাখতে হবে বিপক্ষের ডাগআউটে ছিলেন 'মাস্টারমাইন্ড' ব্যারেটো। তবে তাঁর দল বিশেষ ছাপ ফেলতে পারল না। ফলে ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে জয় পেতে বিশেষ সমস্যা হল না।
খেলা শুরুর আগে ইস্টবেঙ্গল মাঠে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁ, এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে, ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলার মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, মেহতাব হোসেন ও দীপঙ্কর রায়, ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার, আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত প্রমুখ। এদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে ক্রীড়ামন্ত্রীর হাতে স্মারক হিসাবে ক্লাবের জার্সি তুলে দেওয়া হয়। এবারের কলকাতা লিগ উৎসর্গ করা হয়েছে কিংবদন্তি ফুটবলার সাহু মেওয়ালালের স্মৃতিতে। এসেছিলেন তাঁর পুত্রও। সেই মঞ্চ থেকেই সাহু মেওয়ালালের সম্মানে বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়।
এদিন শুরু থেকে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় মশাল ব্রিগেড। লাল-হলুদ রিজার্ভ দলের কোচ বিনো জর্জের ভরসা দুই পুরনো মুখ জেসিন টিকে এবং পিভি বিষ্ণু। সঙ্গে ছিলেন চাকু মাণ্ডি, তন্ময় দাসের মতো পরিচিত মুখ। তাঁদের নিয়েই ঝড় তোলে ইস্টবেঙ্গল। ২৪ মিনিটে জেসিনের গোলে এগিয়ে যায় 'মশাল বয়েজ'। এরপর একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও দ্বিতীয় গোল আসছিল না। অবশেষে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (৪৫+৪ মি.) পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জোসেফ জাস্টিন।
দ্বিতীয়ার্ধে বল দখলের লড়াইয়ে বিনো জর্জের ছেলেরা এগিয়ে ছিলেন। মাঝমাঠের প্রাধান্য নিয়েই খেলেন তাঁরা। একের পর এক আক্রমণে তখন নাজেহাল অবস্থা জর্জের। তবে তৃতীয় গোল আসতে দ্বিতীয়ার্ধে প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়। এর আগে ওয়ান টু ওয়ান খেলে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন বেলাল আহমেদ। তবে ৮৬ মিনিটে তিনিই জয়সূচক গোল করেন। আগামিকাল মোহনবাগান তাদের ঘরের মাঠে লিগ অভিযান শুরু করবে পাঠচক্রের বিরুদ্ধে। খেলা শুরু বিকেল চারটেয়।
