কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বড়সড় সমস্যার মুখে পড়ল নরওয়ে। যার জেরে ইংল্যান্ডের (Norway vs England) বিরুদ্ধে মাঠে নামার ঠিক একদিন আগে আর্লিং হালান্ডদের হোটেল পর্যন্ত বদলাতে হল। কী এমন ঘটল?
মায়ামিতে যে হোটেলে নরওয়ে দল ছিল, সেখান থেকে অনুশীলনে যাতায়াতে অসুবিধা হচ্ছিল। তার উপর হোটেলের পাশেই বহুতল নির্মাণের কাজ চলায় সারাক্ষণ শব্দ হচ্ছিল। সেই কারণে ফুটবলারদের বিশ্রাম ও ঘুম ব্যাহত হচ্ছিল। দলের সেরা প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখেই শেষ পর্যন্ত হোটেল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নরওয়ের অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড বলেন, “পরিষেবা আরও ভালো হওয়া উচিত ছিল। তাই আমাদের হোটেল বদলাতে হয়েছে। নতুন জায়গার পরিবেশ ও পরিষেবা অনেক ভালো। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে আমরা সেরা প্রস্তুতিই চাই। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত।”
প্রথমে হোটেল বদলের পক্ষে ছিলেন না দলের লজিস্টিক্স ম্যানেজার ট্রুলস ডায়েহলি। তবে ফুটবলারদের স্বার্থেই শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তাঁর কথায়, “এই সময় হোটেল বদল মোটেই আদর্শ নয়। অনেকেই ভেবেছিলেন, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এতে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু ফুটবলাররাই হোটেল বদলাতে চেয়েছিল। কারণ আগের জায়গায় ওদের অসুবিধা হচ্ছিল।”
ডায়েহলি জানান, দলের সাপোর্ট স্টাফদের তৎপরতায় মাত্র আড়াই ঘণ্টার মধ্যেই নতুন হোটেলে পুরো দলকে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “ফুটবলারদের জন্য ভালো পরিবেশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এক সপ্তাহ ধরে মায়ামিতে আছি। আর আমেরিকায় প্রায় ছ'সপ্তাহ কাটিয়ে ফেলেছি। সামনে নরওয়ের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ম্যাচ। তাই কোনও ঝুঁকি নিতে চাইনি। ফিফাও আমাদের হোটেল বদলের সিদ্ধান্তে অনুমতি দিয়েছে।”
এদিকে, নরওয়ে শিবিরে একাধিক ফুটবলারের অসুস্থতার গুঞ্জনও ছড়িয়েছিল। তবে কোচ স্টোলে সলবাকেন সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “বিষয়টা অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে। কারও সামান্য শারীরিক সমস্যা হলে দলের চিকিৎসক ও ফিজিওরা তা দেখছেন। উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু হয়নি।”
