গ্রিনল্যান্ড দখল করতে বদ্ধপরিকর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুমকি এবং পালটা হুমকিতে ক্রমেই ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ। যার জেরে এবার ঘোর অনিশ্চয়তার মুখে মার্কিন মুলুকে হতে চলা ফুটবল বিশ্বকাপ। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নয়া 'পাগলামি'তে ক্ষুব্ধ ইউরোপের একাধিক দেশ। এমনকী ট্রাম্পের দেশে আসন্ন বিশ্বকাপে আদৌ ফ্রান্স-জার্মানির মতো দেশ দল পাঠাবে কিনা সেটাই প্রশ্নের মুখে।
আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ‘ন্যাটো’র অন্যতম সদস্য ডেনমার্ক। এই ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে গ্রিনল্যান্ড। আর গ্রিনল্যান্ডে রয়েছে মার্কিন সেনাঘাঁটি। শুধু তাই নয়, সেখানে মোতায়েন করেছে আমেরিকার সেনাও। এবার ট্রাম্প চান ডেনমার্ককে সরিয়ে পুরোপুরি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই নতুন অবস্থানে ক্ষুব্ধ ইউরোপীয় ইউনিয়ন। যার প্রভাব সরাসরি পড়তে চলেছে বিশ্বকাপে। ফ্রান্স ইতিমধ্যেই দাবি করেছে, আমেরিকা থেকে বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বত্ত্ব ছিনিয়ে নেওয়া হোক। জার্মানির সুরও তেমনই। ফুটবল মহলে গুঞ্জন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যদি ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড অভিযান চালিয়ে যান তাহলে বিশ্বকাপে ইউরোপের একাধিক দেশ দল না পাঠাতে পারে। সেই তালিকায় রয়েছে ফ্রান্স-জার্মানিও।
শোনা যাচ্ছে, ফ্রান্স এখনও বিশ্বকাপ বয়কটের পক্ষে নয়। তারা চায় বিশ্বকাপ থেকে আমেরিকাকেই সরিয়ে দেওয়া হোক। সেই দাবিতে ফিফার কাছে দরবারও করতে পারে। জার্মানির ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও গুরুতর। সরকার এখনও বয়কট নিয়ে কোনও অবস্থান নেয়নি। তারা বল ঠেলছে ফুটবল সংস্থার কোর্টে। বিশ্বকাপ খেলতে জার্মান দল আমেরিকা যাবে কিনা সেটা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সেদেশের ফুটবল সংস্থা। অবশ্য পরে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। শোনা যাচ্ছে, ইউরোপের আরও একাধিক দেশ আমেরিকায় যাওয়া নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে।
ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ বিন্যাস এবং সূচি ঘোষণার মঞ্চ থেকেই তাকে পুরস্কৃত করেছে ফিফা। নোবেল শান্তি না পেলেও ফিফার দেওয়া শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অথচ সেই ট্রাম্পের একটা সিদ্ধান্তেই বিশ্বজুড়ে চিন্তায় ফুটবলপ্রেমীরা।
