বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) ও কিলিয়ান এমবাপের (Mbappe) গোল- এ যেন সমার্থক হয়ে উঠেছে। গ্রুপ পর্বে দু'ম্যাচে চার গোল করেছিলেন ফরাসি তারকা। রাউন্ড অফ ৩২-এও জোড়া গোল করে আগামী প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়েকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন। বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ৬ গোল। রেকর্ডের পর রেকর্ড ভাঙছেন। এক ম্যাচ কম খেলে লিওনেল মেসিরও ৬ গোল। তবু কেন আর্জেন্তিনীয় তারকার থেকে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে এমবাপে?
গ্রুপ পর্বে সেনেগাল ও ইরাকের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করেছিলেন ফরাসি তারকা। রাউন্ড অফ ৩২-এ তাঁদের সামনে ছিল সুইডেন। তবে জিততে বিন্দুমাত্র অসুবিধা হয়নি ফ্রান্সের। ৪৫ মিনিটে বক্সের ডানদিক থেকে ঢুকে দু'জনের মধ্যে দিয়ে অনবদ্য কার্লারে গোল করেন এমবাপে। তারপরই ছুটে যান কোচ দিদিয়ের দেশঁর দিকে। যিনি সদ্য মায়ের শেষকৃত্য সেরে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। ৭৪ মিনিটে দ্বিতীয় গোল। মাইকেল অলিসের বল ধরে চেনা ভঙ্গিতেই জালে বল জড়িয়ে দেন রিয়াল মাদ্রিদের ফুটবলার। ম্যাচের পর দেশঁ মাথা ঝুঁকিয়ে স্যালুট করেন এমবাপের প্রতিভাকে।
এই বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ৬ গোল করে ফেলেছেন এমবাপে। আর সব মিলিয়ে গোল সংখ্যা ১৮। যেখানে লিওনেল মেসির থেকে গোল সংখ্যা ১৯। এই ম্যাচে দু'টি রেকর্ড করে ফেলেছেন এমবাপে। বিশ্বকাপে নকআউট পর্যায়ে সবচেয়ে গোল করেছেন তিনি। তাঁর গোল সংখ্যা ১০। ছাপিয়ে গিয়েছেন ব্রাজিলের রোনাল্ডো (৮) ও পেলেকে (৭)। দ্বিতীয় রেকর্ডটি হল, ইউরোপ মহাদেশ থেকে এখন বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিকও এমবাপে। মিরোস্লাভ ক্লোজের গোল সংখ্যা ১৬। সেখানে এমবাপে করেছেন ১৮টি গোল।
এই বিশ্বকাপে ২৭ বছর বয়সি তারকার সঙ্গে সমানে-সমানে টক্কর চলছে ৩৯ বছরের মেসির। দু'জনেরই গোল সংখ্যা ৬। তবু কেন গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে এমবাপে? কারণ তিনি গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্টও করেছেন। তিনি দু'টি গোলে সহায়তা করেছেন। মেসি ৬টি গোল করলেও অ্যাসিস্ট করেননি। তাই এগিয়ে এমবাপেই। নরওয়ের আর্লিং হালান্ডের গোল সংখ্যা ৫। এবার প্রশ্ন হল, যদি দু'জনের গোল ও অ্যাসিস্ট সংখ্যা সমান হয়, তখন কী হবে? তখন দেখা হবে কে কম মিনিট খেলেছেন।
