সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেন লিওনেল মেসি। প্রতিযোগিতার প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁর পুরনো ক্লাব পিএসজি ৪-০ গোলে ইন্টার মায়মিকে উড়িয়ে দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল। ম্যাচ হেরে স্বভাববিরুদ্ধভাবে মেজাজ হারাতেও দেখা গেল মেসিকে। আসলে গোটা ম্যাচে আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে কার্যত নড়তে দেয়নি পিএসজি ডিফেন্স। তাই মাঠেই মেজাজ হারান মেসি।
রবিবারের ম্যাচে জোড়া গোল করে পিএসজির জয়ের নায়ক জোয়াও নেভেস। একটি গোল করেছেন আশরাফ হাকিমি। একটি গোল আত্মঘাতী। ম্যাচের প্রথমার্ধেই চার গোলে এগিয়ে যায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ চ্যাম্পিয়নরা। খেলার ৬ মিনিটে নেভেস প্রথম গোলটি করেন। তিনিই ৩৯ মিনিটে আরও একটি গোল করেন। ৪৪ মিনিটে আত্মঘাতী গোল। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে ৪৯ মিনিটে পিএসজির হয়ে আরও একটি গোল করে যান হাকিমি। বিরতির পর খেলায় ফেরার চেষ্টা করেছিল মায়ামি। মেসিও চেষ্টা করেছিলেন ঘুরে দাঁড়ানোর। কিন্তু লাভ কিছু হয়নি। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল খেয়ে ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল মেসির দল।
তবে ফুটবল মহলে জোর চর্চা চলছে পুরনো দলের বিরুদ্ধে মেসির মেজাজ হারানো নিয়ে। ম্যাচ চলাকালীন বল দখলের লড়াইয়ে মেসিকে টপকে যান পিএসজির ভিতিনহা। ব্যর্থ হতেই ভিতিনহার দিকে হাত ছুড়ে দেন মেসি, যা দেখে দর্শকদের মনে হয় ইন্টার মায়ামি তারকা হয়তো মারতে যাচ্ছেন বিপক্ষ ফুটবলারকে। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই নেটদুনিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন মেসি। উল্লেখ্য, পিএসজিতে থাকার সময়েও ভিতিনহার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক ভালো ছিল না।
ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে ইন্টার মায়ামি বিদায় নিতেই নেটিজেনদের মত, 'মেসি শেষ'। অনেকের মতে, বিপক্ষ ভালো খেললে সেটা মানতে পারছেন না মেসি। যদিও এই সময়ে মেসির পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রাক্তন সতীর্থ জলাটান ইব্রাহিমোভিচ। তাঁর কথায়, এই হার কেবল মেসির একার নয়, গোটা দলের। ৯৯ শতাংশ ফুটবলার যা করতে পারে না সেটা মেসি এখনও পারে। যে ফুটবলারদের সঙ্গে মেসি খেলেন, তাঁদের দক্ষতা নিয়ে বরং প্রশ্ন তুলেছেন ইব্রাহিমোভিচ।
