দীর্ঘদিন পর ম্যাচ পাচ্ছে বারাসত স্টেডিয়াম। সংস্কার হওয়ার পর গত মরশুমেই কলকাতা লিগের ডার্বি হওয়ার কথা ছিল এই স্টেডিয়ামে। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি কল্যাণী স্টেডিয়ামে সরে যায়। এবার কলকাতা লিগের ম্যাচ পেল বারাসত। ৭ আগস্ট লিগের ইউনাইটেড কলকাতা ও খিদিরপুর ম্যাচটি হবে এই স্টেডিয়ামে। একই সঙ্গে লিগের ডার্বি দুই প্রধানের ষষ্ঠ ম্যাচে হওয়া কঠিন হয়ে পড়ল। যেহেতু সিকোয়েন্স অনুযায়ী সূচি করতে পারছে না আইএফএ, তাই পূর্ব প্রকাশিত সিকোয়েন্স অনুযায়ী ষষ্ঠ রাউন্ডেই ডার্বি হলেও, দুই প্রধানের ষষ্ঠ ম্যাচ হওয়া কঠিন।
ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী ম্যাচ ৩ আগস্ট। প্রতিপক্ষ বেহালা এসএস। ৭ আগস্ট মোহনবাগানের পরবর্তী ম্যাচ ভবানীপুরের সঙ্গে। ইতিমধ্যেই দুই প্রধান ঘরোয়া লিগে চারটি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। ইস্টবেঙ্গল চারটি ম্যাচই জিতে শীর্ষে। গোল করেছে ১৪টি। এর মধ্যে পাঠচক্রের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে ৫-১ গোলে। অন্যদিকে ৪ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে মোহনবাগান। সমসংখ্যক পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ভবানীপুর। ফলে পরের মোহনবাগান-ভবানীপুর ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। আগের ম্যাচে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়রা ইউনাইটেড কলকাতার বিরুদ্ধে জিতেছেন ১-০ গোলে।
সেই ম্যাচের শেষে বিরাট নাটক ছিল। ৮৭ মিনিটে সায়নকে আটকাতে গিয়ে লাল কার্ড দেখেন অমিত টুডু। পরে মারামারিতে জড়িয়ে লাল কার্ড দেখেন জবি জাস্টিনও। আবার মোহনবাগানের গোলবাতিল থেকে সহকারী রেফারিকে কার্ড দেখানোর মতো ঘটনাও ঘটেছে। সব মিলিয়ে রেফারিং নিয়ে চরম অসন্তুষ্ট ছিলেন সবুজ-মেরুনের কোচ বাস্তব রায়। মোহনবাগান তাঁবু থেকে বেরনোর সময় সমর্থকদের সঙ্গে বচসা হয় জবি জাস্টিনের। পরে অবশ্য ক্ষমা চান।
