আনোয়ার আলি ইস্যুতে এবার আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতের দ্বারস্থ মোহনবাগান। মাসের পর মাস বিষয়টি ঝুলেই রয়েছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। বিষয়টি ফিফা পর্যন্ত গিয়েছে। ফিফার তরফ থেকে এআইএফএফ-কে দ্রুত মিটিয়ে নিতে বললেও কোনও অগ্রগতি হয়নি। অবশেষে ফেডারেশনের গড়িমসিতে 'বিরক্ত' হয়ে ক্রীড়া আদালত বা ক্যাসের দ্বারস্থ মোহনবাগান।
দু'মরশুম আগে ইস্টবেঙ্গল থেকে মোহনবাগানে আসেন আনোয়ার। যা নিয়ে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ আনে সবুজ-মেরুন শিবির। দীর্ঘদিন ফেডারেশনের অ্যাপিল কমিটিতে মামলা ঝুলে। যা নিয়ে সবপক্ষই অসন্তুষ্ট। গত বছরের নভেম্বরে এই বিষয় নিয়ে ফিফা ও এএফসিকে চিঠি পাঠায় মোহনবাগান। যার উত্তরে ফিফার তরফ থেকেও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
কিন্তু তারপরও ফেডারেশনের তরফে মামলায় কোনও অগ্রগতি নেই। এই দীর্ঘ সময় মামলার কোনওরকম শুনানিই করেনি ফেডারেশনের অ্যাপিল কমিটি। এমনকী আনোয়ার নিজেও ফেডারেশনকে চিঠি লিখে জানান যে অহেতুক ঢিলেমির জন্য তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। অথচ অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি। সব মিলিয়ে দেড় বছর ধরে মামলা ঝুলে। অবশেষে কড়া পদক্ষেপ নিল মোহনবাগান। গোটা বিষয়টা নিয়ে ক্যাসে যাচ্ছে সবুজ-মেরুন শিবির।
এই মুহূর্তে আনোয়ার আলি ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলছেন। চুক্তিভঙ্গের ইস্যুতে আনোয়ারকে চার মাসের নির্বাসনের শাস্তি দিয়েছিল প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি। পাশাপাশি দিল্লি এফসি এবং ইস্টবেঙ্গলকে দু’টি ট্রান্সফার উইন্ডো ব্যান করা হয়। সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আদালতে যান আনোয়াররা। আদালতের নির্দেশে বিষয়টি নিয়ে ফের শুনানি শুরু করে ফেডারেশেনের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি। তবে শুনানি পিছিয়ে যাওয়া ছাড়া আর এই বিষয়ে কোনও অগ্রগতিই হয়নি।
