সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেসিকাণ্ডে টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল সিট। সপ্তাহখানেক আগে যুবভারতী কাণ্ডে টিকিট বিক্রির বরাত পাওয়া সংস্থা 'ডিস্ট্রিক্ট বাই জোম্যাটো'কে তলব করেছিল তদন্তকারী দল। সেখানে টাকা ফেরত দেওয়ার উপায় ও পদ্ধতি নিয়ে জানতে চাওয়া হয়। আর এবার টিকিটের টাকা ফেরতের প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেল। জোম্যাটো কর্তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে পুলিশ।
টিকিট বিক্রি করে ১৯ কোটি টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে। টাকা ফেরতের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে পুলিশ। শতদ্রুর অ্যাকাউন্ট থেকে ইতিমধ্যেই ২২ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দর্শকের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। আরও বেশ কিছু দর্শকের বয়ান রেকর্ড করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
সূত্রের খবর, ওই সংস্থার সহ-সভাপতি জানিয়েছেন, সংস্থার সঙ্গে শতদ্রু দত্তর তিনটে শহরের চুক্তি হয়েছিল। কলকাতা, নয়াদিল্লি ও মুম্বই। তিনটে শহরের মোট যা অর্থ দেওয়ার কথা ছিল শতদ্রুকে, তার বেশিরভাগটাই দেওয়া হয়ে গিয়েছে। মাত্র ৮ কোটি টাকা ‘ডিস্ট্রিক্ট’-এর কাছে বাকি আছে। সেটা যদি সিট বলে, তারা সেই টাকা তদন্তকারীদের তিনি দিয়ে দেবেন। কিন্তু, বাকি টাকা শতদ্রুকেই দিতে হবে বলে জানান সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট।
বস্তুত যুবভারতীতে মেসির অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার পর থেকেই পুলিশ হেফাজতে অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। ১৩ ডিসেম্বর বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই পুলিশকে মুচলেকা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, টিকিটের সব টাকা ফেরত দেওয়া হবে। টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হল। উল্লেখ্য, ভারত সফরের জন্য মেসিকে ৮৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়। আর কর বাবদ ১১ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল ভারত সরকারকে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ১০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল। এ কথা জেরায় জানিয়েছিলেন শতদ্রু। এর মধ্যে কিছুটা টাকা আসে স্পনসরদের কাছ থেকে। বাকিটা এসেছে টিকিট বিক্রি করে।
