ধিক্কারকে জয়ধ্বনিতে পরিণত করতে লাগল একসপ্তাহ। ঘরে বাইরে কোণঠাসা রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফের স্বমহিমায়। কিলিয়ান এমবাপের পুরনো ক্লাব মোনাকোকে ৬-১ গোলে হারাল স্পেনের ক্লাব। অন্যদিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আনকোরা দলের কাছে ১-৩ গোলে হেরে গেল পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। তবে ইন্টার মিলানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় চলে গেল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আরেক ক্লাব আর্সেনাল।
সপ্তাহ খানেক আগের কথা। স্পেনের দ্বিতীয় ডিভিশনের দল আলবাসেতের কাছে হেরে কোপা দেল রে থেকে বিদায় নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। নতুন কোচ আরবেলোয়ার কাছে ছিল পাহাড়প্রমাণ কাজ। তার আগে বার্সেলোনার কাছে সুপার কোপার ফাইনালে হেরে চাকরি যায় জাবি আলোন্সো। ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বের্নাব্যুতে নেমে ধিক্কার হজম করতে হয়েছিল ভিনিসিয়াস জুনিয়র। এদিন তাঁর পা থেকে এল তিনটি অ্যাসিস্ট ও একটি গোল। বিতর্কে বিদ্ধ এমবাপে করলেন জোড়া গোল। পুরনো ক্লাবের বিরুদ্ধে গোল করে ক্ষমাও চেয়ে নেন। একটি গোল আত্মঘাতী। ভিনি নিজেও একটি গোল করেন। বাকি দু'টি জুড বেলিংহ্যাম ও মাস্তানতুয়ানোর। পুরো ম্যাচে রিয়ালের একমাত্র ভুল গোলকিপার থিবো কুর্তোয়ার মিস পাস। সেখান থেকে ব্যবধান কমায় ফ্রান্সের ক্লাব।
অন্যদিকে প্রিমিয়ার লিগে একেবারেই ছন্দে নেই ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও যে পেপের দল হেরে যাবে, তা কে ভেবেছিল। তাও আবার আর্লিং হালান্ডেরই দেশ নরওয়ের ক্লাব বোডোর বিরুদ্ধে। যে দল এর আগে কখনই কোনও প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবকে হারাতে পারেনি। ২২ ও ২৪ মিটিয়ে বোডোকে এগিয়ে দেন কাসপার হোগ। দ্বিতীয়ার্ধে ফের তাদের হয়ে গোল করেন পিটার হাউগা। একটু পরেই ব্যবধান কমান সিটির রায়ান চেরকি। কিন্তু কামব্যাকের লড়াইয়ে বাধ হয়ে দাঁড়াল অধিনায়ক রড্রি। গোটা ম্যাচ জুড়েই ছন্নছাড়া ফুটবল খেলে ইংল্যান্ডের ক্লাব। গোলপোস্ট, অফসাইড ও সিটির গোলকিপার ডোনারুম্মা বাধা না হলে ৩-১ ব্যবধানটা নিঃসন্দেহে বাড়ত।
ইউসিএলের অন্য ম্যাচে আর্সেনাল ৩-১ গোলে হারাল ইন্টার মিলানকে। গ্যাব্রিয়েল জেসুসের জোড়া গোল ও ভিক্টর গিকোয়েরেসের গোলে এবার প্রথম দল হিসেবে শেষ ষোলোয় গেল মিকেল আর্তেতার দল। এছাড়া স্পোর্টিং লিসবনের কাছে হেরে গেল গতবারের চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেইনও।
