সারাদিনের ক্লান্তি শেষে যেখানে ফিরবেন, ঘুম থেকে উঠে কাজে বেরনোর আগে যেখান থেকে 'পজিটিভ ভাইব' পেতে চান সেটা হল সুখী গৃহকোণ। সেই 'ছায়া-সুনিবিড়, শান্তির নীড়'-এর ঝকঝকে চেহারা অব্যাহত রাখা তাই জরুরি এক বিষয়। কিন্তু জানেন কি, একটু ঠান্ডা মাথায় কয়েকটি দিকে খেয়াল রাখলেই কেল্লাফতে।
সবচেয়ে আগে প্রয়োজন, হাতে হাত মিলিয়ে ঘরদোর পরিষ্কার রাখা। আর সেজন্য প্রয়োজন একটি নির্দিষ্ট ক্লিনিং ক্যালেন্ডার। সেই ক্যালেন্ডারে সাপ্তাহিক, মাসিক এমনকী বাৎসরিক হিসেব লেখা থাকবে কোন সময় বাড়ির কোন আসবাব, সামগ্রী পরিষ্কার করতে হবে। ধরা যাক, শীতের শেষদিকে পাখা পরিষ্কার করা দরকার। সেটা ওই ক্যালেন্ডার দেখেই বোঝা যাবে।
সবচেয়ে আগে প্রয়োজন, হাতে হাত মিলিয়ে ঘরদোর পরিষ্কার রাখা। আর সেজন্য প্রয়োজন একটি নির্দিষ্ট ক্লিনিং ক্যালেন্ডার। সেই ক্যালেন্ডারে সাপ্তাহিক, মাসিক এমনকী বাৎসরিক হিসেব লেখা থাকবে।
দেওয়াল বা সিলিং পরিষ্কার করার সময় সব সময় উপরের দিক থেকে শুরু করুন। ফলে যা কিছু ময়লা সেটা নিচে পড়বে। শেষে নিচের দিকটা পরিষ্কার করে ফেলতে পারলেই কাজ শেষ। সময় বাঁচবে। একই জায়গায় বারবার পরিষ্কারের প্রয়োজনও পড়বে না।
মাথায় রাখুন বাইরের নোংরা যেন ঘরে সহজে প্রবেশ না করতে পারে। তাই বাড়িতে যাঁরাই আসুন, জুতো খোলার জায়গাটি থাক সদরের বাইরে। যদি সেটা সম্ভব না হয়, একেবারে সদরের পাশেই রাখুন জুতো রাখার জায়গাটি। অবশ্যই রাখুন একটি বড় পাপোশ।
বাড়ির একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হল বাথরুম। প্রতি সপ্তাহে একবার শাওয়ার থেকে কমোড কিংবা টাইলস পরিষ্কার করুন। তাহলে ময়লা জমবে না। কিন্তু এর বেশি বিলম্ব হলেই কাজটা গোলমেলে হয়ে উঠবে।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অন্যতম সেরা উপায় হল ধুলো কমানোর উপায় খুঁজে বের করা, যাতে পরিষ্কার করা সহজ হয়। দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন। একটি হেপা ফিল্টারযুক্ত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করুন। একটি এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন, লোমশ পোষা প্রাণীদের নিয়মিত ব্রাশ করুন ও স্নান করান। এয়ার ফিল্টার থাকলে ঘনঘন পরিবর্তন করুন।
কোনও সাফাই কাজ একবার শুরু করলে অবশ্যই শেষ করুন। অনেক সময় বাধা পড়লে কাজটা অর্ধেক রেখেই ছেড়ে দেন অনেকে। এটা করবেন না। কোনও অন্য কাজ পড়ে গেলেও পরে এসে কাজটি অবশ্যই শেষ করুন।
