বাড়ি পরিষ্কার হয় প্রতিদিন। ঘর ঝাঁট দেওয়া কিংবা মোছা হয়েই থাকে। তা সত্ত্বেও ঘরের এমন কিছু জায়গা রয়েছে, যে জায়গাগুলি পরিষ্কারই হয় না। আপাতদৃষ্টিতে ঘর পরিষ্কার লাগলেও জীবাণু ঘাপটি মেরে ওই জায়গাগুলিতে বসে থাকে। তার ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই জেনে নিন বাড়ি পরিষ্কারের সময় কোন জায়গাগুলিতে বেশি নজর রাখতে হবে।
বাড়ির সবচেয়ে অবহেলার জায়গা দরজার ফ্রেম এবং ক্যাবিনেট। দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ার ফলে তাতে ধুলোবালি জমে থাকে। তার ফলে অ্যালার্জি এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তাই মাইক্রো ফাইবার কাপড় দিয়ে মাসে কয়েকদিন ধুলো পরিষ্কার করে নিন।
ফ্রিজ কিংবা ওয়াশিং মেশিন, আলমারির মতো ভারী জিনিসপত্র প্রতিদিন সরিয়ে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। তাই ওই জিনিসপত্রের নিচে সবচেয়ে বেশি ধুলো ময়লা জমে যায়। এই জায়গাগুলি মাঝেমধ্যে পরিষ্কার করুন।
চেয়ার কিংবা সোফার উপর পাতা গদি আমরা প্রায়শয়ই পরিষ্কার করতে ভুলে যাই। তার ফলে ব্যাকটেরিয়া, পোকামাকড়ের আঁতুড়ঘর হয়ে ওঠে ওই জায়গাগুলি। ঝাঁটায় কাজ না হলে ভ্যাকিউম ক্লিনারের সাহায্যে এগুলি মাঝেমধ্যে পরিষ্কার করে নিন।
বাড়িতে থাকা ভেন্টিলেটার আমরা কখনও পরিষ্কার করি না। তার ফলে ঝুল জমে যায়। এই জায়গাটি কমপক্ষে ৩ মাস অন্তর পরিষ্কার করুন। নইলে শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে এটি।
সিলিং ফ্যানেও অনেক সময় নোংরা জমে থাকে। তার ফলে পাখা চালানো মাত্রই ধুলো উড়তে থাকে। তার ফলে অ্যালার্জি হতে পারে। মাসে কমপক্ষে একবার এটি পরিষ্কার করুন।
এখন বেশিরভাগ বাড়িতেই মাউন্টেড টিভি থাকে। টিভির পর্দায় ধুলো জমলে বোঝা যায়। তাই মাঝে মাঝে আমরা তা পরিষ্কার করি। তবে টিভি পিছন দিকে আর হাত দেওয়াই হয় না। বিপদ এড়াতে চাইলে অবশ্যই মাউন্টেড টিভির পিছনদিক পরিষ্কার করুন। নইলে ধুলোবালি থেকে রোগ ছড়াতে পারে।
শৌচালয় পরিষ্কার করেন সকলেই। টাইলস, বেসিন ঝাঁ চকচকে। কিন্তু বেসিনের নিচে এবং কমোডের বাইরের অংশ থেকে যায় অপরিষ্কার। চোখে দেখা না গেলেও এই জায়গাগুলিতে বাসা বাঁধে জীবাণু। তা থেকে মূত্রে জীবাণু সংক্রমণের মতো সমস্যা হতে পারে। তাই সময়মতো পরিষ্কার করুন।
