একঝাঁক হলুদ ফুল আপনার ব্যালকনিতে হাওয়ার বেগে দুলছে। ভাবুন তো, ঘুম থেকে উঠে একঝলক এমন দৃশ্যে কেমন লাগবে? মন ভরে যেতে বাধ্য। কিন্তু ভাবছেন একচিলতে ব্যালকনিতে কি তা সম্ভব? অবাক হবেন না, এই পৃথিবীতে সবই সম্ভব। তেমন ব্যালকনিতেও সম্ভব সূর্যমুখী ফোটানো। সম্পূর্ণ ঘরোয়া কৌশলে কীভাবে ব্যালকনিকে দেবেন হলুদের ফুলেল ছোঁয়া, চলুন তা জেনে নেওয়া যাক।
Advertisement
- সূর্যমুখীর রয়েছে নানা প্রকারভেদ। সানস্পট, টেডি বিয়ার, লিটল বেকা। যেগুলি ১-৩ ফুট লম্বা হয়। ছোট টবে সেগুলি ফোটানো সম্ভব। তাই এই ধরনের সূর্যমুখী আপনাকে বেছে নিতে হবে।
- ব্যালকনিতে কমপক্ষে ৬-৮ ঘণ্টা রোদ আসে কিনা, তা খেয়াল রাখতে হবে। কারণ, সূর্যমুখী চাষে সূর্যালোক প্রধান প্রয়োজনীয় শর্ত।
- সঠিক টব নির্বাচন না করতে পারলে পরিশ্রম বৃথা। তাই সূর্যমুখী ব্যালকনিতে ফোটাতে চাইলে ১২-১৫ ফুট গভীর টব নিতে হবে।
এবার জেনে নেওয়া যাক কীভাবে সূর্যমুখী গাছ পুঁতবেন:
- একটি ১২-১৫ ফুট গভীর টব নিন। মাটিতে ১-২ ফুট গভীরে বীজ পুঁতুন। ৬-১০ ইঞ্চি দূরত্বে বীজ লাগাতে ভুলবেন না। ৭-১০দিনের মধ্যে ছোট ছোট চারা মাথাচারা দেবে।
- এবার ধীরে ধীরে জল দিন। মাটি ভিজে থাকবে। তবে জল যেন দাঁড়িয়ে না থাকে খেয়াল রাখুন। সপ্তাহে ২-৩ বার জল দেওয়া যথেষ্ট।
- সূর্যমুখী হাওয়া লেগে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেক্ষেত্রে ছোট ছোট লাঠি গাছের সঙ্গে বেঁধে দিতে পারেন। ব্যালকনিতে গ্রিল থাকলে তার সঙ্গে সুতো দিয়ে বেঁধেও রাখতে পারেন।
- সূর্যমুখী গাছে শুঁয়োপোকার সমস্যা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে নিম তেল স্প্রে করতে পারেন। অন্য কোনও রাসায়নিক না দেওয়াই ভালো।
গাছ পোঁতার মাসতিনেকের মধ্যেই দেখবেন বেড়ে উঠেছে। ফুলও ফুটতে পারে। যা দেখলে আপনার পরিশ্রম সার্থক হবে।
