মার্কিন নীতি অনুসরণ করে এবার ভারতীয়দের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ অস্ট্রেলিয়া (Australia) সরকারের। অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে পাঞ্জাবের ১১ বাসিন্দা-সহ মোট ১৫ জন ভারতীয়কে দিল্লি ফেরত পাঠাচ্ছে সেখানকার অ্যান্থনি আলবানিজের প্রশাসন। এই তালিকায় রয়েছেন এক মহিলাও। জানা যাচ্ছে, বুধবারই ওই অবৈধবাসীদের সঙ্গে নিয়ে দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বিমান।
বুধবার এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। ভিসা সংক্রান্ত সমস্যার জেরে যে ১৫ জনকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে তাঁদের অভ্যর্থনা জানাতে দিল্লি যাবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যে ১৫ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হচ্ছে তাদের মধ্যে ১১ জন পাঞ্জাবের, দু'জন তেলেঙ্গানার, অন্য দু'জন হরিয়ানা ও উত্তরাখণ্ডের। আজ রাতেই দিল্লি অবতরণ করবে বিমানটি। পাশাপাশি সরকারের কাছে মানের আবেদন, ''দেশের যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান একান্ত আবশ্যক। যদি এখানে কর্মসংস্থান থাকত তাহলে এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো যেত।''
যে ১৫ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হচ্ছে তাদের মধ্যে ১১ জন পাঞ্জাবের, দু'জন তেলেঙ্গানার, অন্য দু'জন হরিয়ানা ও উত্তরাখণ্ডের।
অস্ট্রেলিয়া থেকে বিতাড়িত এইসব ভারতীয়দের উদ্দেশে পূর্ণ সমর্থন পোষণ করে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "ওরা আমাদেরই সন্তান। চরম দুর্দশার জেরে তাঁরা বাধ্য হয়েছেন ভিনদেশে যেতে। এখন তাঁরা বাড়ি ফিরছে। আমি তাঁদের অভ্যর্থনা জানাতে যাব।"
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালে একই ঘটনা ঘটেছিল আমেরিকায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নয়া অভিবাসন নীতিতে আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয়দের জোর করে ফেরত পাঠানো হয়। প্রায় ৩,৮০০ ভারতীয়ের কোমরে বেড়ি পরিয়ে চরম অপমানজনকভাবে ফেরত পাঠিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। যা নিয়ে বিতর্ক চরম আকার নেয় দেশে। অস্ট্রেলিয়ায় সেই পরিস্থিতি তৈরি না হলেও বিষয়টি যে অপমানজনক তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
