shono
Advertisement
Census 2027

পানীয় জল থেকে স্নানের ঘর, জনগণনার প্রথম ধাপেই ৩৩ প্রশ্নের জবাব চাইবে কেন্দ্র

কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যে কোনও সময় ৩০ দিন ধরে বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে। প্রশ্ন তালিকায় আর কী?
Published By: Subhajit MandalPosted: 12:01 PM Jan 23, 2026Updated: 12:01 PM Jan 23, 2026

২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হতে চলা ভারতের জনগণনা ঘিরে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। প্রকাশ করা হয়েছে জনগণনার প্রথম ধাপ-হাউস-লিস্টিং ও হাউজিং সেনসাসের প্রশ্নপত্র। এই ধাপ চলবে ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৭পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সারা দেশে প্রতিটি ভবন ও পরিবার থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবেন জনগণনা আধিকারিকরা। বন্ধ বা খালি বাড়িরও জিও-ট্যাগ করা হবে। পুরো প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখতে চালু করা হয়েছে সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটারিং সিস্টেম, যার মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে কাজের অগ্রগতি দেখা যাবে।

Advertisement

প্রথম ধাপে মোট ৩৩টি প্রশ্ন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে পানীয় জলের ব্যবস্থা, স্নানঘর, রান্নাঘর, এলপিজি-পিএনজি সংযোগ, ইন্টারনেট সুবিধা, বিদ্যুৎ, বাসস্থানের ধরন এবং পরিবারের প্রধান খাদ্যশস্য সংক্রান্ত তথ্য। সরকারের দাবি, এই তথ্য ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণ ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আসলে কেন্দ্র দেশে জনগণের সংখ্যার পাশাপাশি তাঁদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান, খাদ্যাভ্যাস-সহ যাবতীয় তথ্য জেনে নিতে চাইছে। যাতে আগামী দিনে নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সুবিধা হয়।


২০২৭ সালের আদমশুমার হবে ভারতের ১৬তম এবং স্বাধীনতার পরে থেকে অষ্টম আদমশুমার। ১৯৪৮ সালের আদমশুমার আইন এবং ১৯৯০ সালের আদমশুমার বিধি অনুযায়ী চলবে গোটা কর্মকাণ্ড। এই প্রথম গোটা দেশে ডিজিটাল জনগণনা হচ্ছে। প্রথম দফায় বাড়ির তালিকা তৈরি করা হবে, বাড়ির গণনা হবে। দ্বিতীয় দফায় হবে নাগরিকদের সংখ্যার গণনা। পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্যে এই মুহূর্তে এসআইআরের কাজ চলছে। আর এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিল এপ্রিল মাস থেকে জনগণনা হবে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে প্রথম পর্ব। দ্বিতীয় দফার জনগণনা শুরু হতে পারে ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে। এই পর্বে হবে নাগরিকদের গণনা।

কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যে কোনও সময় ৩০ দিন ধরে বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে। কোন রাজ্যে কখন এই তথ্য সংগ্রহ হবে সেটা স্থানীয় প্রশাসন ঠিক করবে। সেক্ষেত্রে ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে জনগণনার কাজটা ভোটের পরও করা যেতে পারে। অবশ্য এই ৩০ দিনের তথ্য সংগ্রহের আগে আমজনতাকে ১৫ দিনের একটা সময়সীমা দেওয়া হবে এনুমারেশনের মাধ্যমে নিজেদের ঠিকানা প্রশাসনকে জানানোর। সেক্ষেত্রে প্রতিটি রাজ্যকেই বিবৃতি দেওয়া থেকে শুরু করে জনগণনার প্রথম পর্ব শেষ করার জন্য অন্তত মাস দু’য়েক সময় দিতে হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement