অনলাইনে সেনার তথ্য পাকিস্তানে পাঠানোর অভিযোগ! ভূস্বর্গে গ্রেপ্তার মুসলিম ধর্মগুরু

09:28 PM Sep 03, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল  ডেস্ক: ভারতীয় সেনার (Indian Army) বিষয়ে সংবেদনশীল তথ্য পাকিস্তানে (Pakistan) পাচারের অভিযোগ উঠল ভূস্বর্গের এক তরুণ মুসলিম ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন কাশ্মীরি জানবাজ ফোর্সকে (Kashmiri Janbaz Force) নানাভাবে সাহায্য করত সে। মাদ্রাসায় শিক্ষকতার সুযোগ নিয়ে তরুণদের জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে উৎসাহ দিত বলেও অভিযোগ। ওই তরুণ ধর্মগুরুকে শনিবার গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় সেনা।

Advertisement

সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) কিশতওয়ার জেলার বাসিন্দা অভিযুক্ত ধর্মগুরু আবদুল ওয়াহিদ (Abdul Wahid)। বয়স ২২ বছর হলেও সে কিশতওয়ারের একটি মাদ্রাসার শিক্ষক সে। এছাড়াও স্থানীয় মসজিদের মৌলবী। যদিও ধর্মগুরুর কাজের আড়ালে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছিল সে। দিনে দিনে জঙ্গি সংগঠন কাশ্মীরি জানবাজ ফোর্সের সদস্য হয়ে উঠেছিল। সন্দেহ হওয়ায় শুক্রবার তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের পর চঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে।

[আরও পড়ুন: দলিত ছাত্রীদের পরিবেশিত মিড ডে মিল ছুঁড়ে ফেলার নির্দেশ, রাজস্থানে গ্রেপ্তার রাঁধুনি]

সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে তায়াব ফারুকি ও উমর কাতাব নামের দুই জঙ্গির সঙ্গে আলাপ হয় তার। যারা কাশ্মীরি জানবাজ ফোর্সের ‘আমির’ বা কমান্ডার। শুরুতে ওয়াহিদ জঙ্গি সংগঠন সংক্রান্ত ছবি ও তথ্য অনলাইনে আপলোড করত। তাকে কেজেএফের (KJF) তরফে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে যোগ দিতেও বলা হয়। এরপর পাক মদতপুষ্ট সংগঠনের আরও কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে আলাপ হয় ওয়াহিদের। মনে করা হচ্ছে তাঁরা পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য।

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: আল কায়দার নির্দেশে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, মুম্বই থেকে ধৃত ডায়মন্ড হারবারের ২ যুবক]

এরপর থেকে তরুণ ধর্মগুরু নিয়মিত ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। কেজেএফের দাবিতে ভারতীয় সেনার একাধিক ক্যাম্প, অনুশীলন কেন্দ্র সংক্রান্ত তথ্য, ছবি ও ভিডিও পাঠাতে শুরু করে অনলাইনে। এছাড়াও মাদ্রাসা শিক্ষক ও স্থানীয় মসজিদের মৌলবী হিসেবে তরুণদের জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে উৎসাহ দেওয়াও ছিল তার কাজ। দেশদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে আবদুল ওয়াহিদের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে ইউএপিএ (UAPA) ও সিআরপিসি (CRPC) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

Advertisement
Next