shono
Advertisement
Raghav Chadha Joins BJP

'পাঞ্জাবিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বিজেপির', রাঘব-সহ ৭ আপ সাংসদের গেরুয়া যোগে মন্তব্য কেজরির

আপের অভিযোগকে সিলমোহর দিয়ে শুক্রবার বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন রাঘব চাড্ডা-সহ ৬ আপ সাংসদ।
Published By: Kishore GhoshPosted: 04:55 PM Apr 24, 2026Updated: 06:42 PM Apr 24, 2026

আপের অভিযোগকে সিলমোহর দিয়ে শুক্রবার বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন রাঘব চাড্ডা। তাঁর সঙ্গী হয়েছেন আরও ৬ আপ সাংসদ। এই বিষয়ে মুখ খুললেন আপ প্রধান এবং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া--- বিজেপি আবার পাঞ্জাবিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল।

Advertisement

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে রাঘব জানান, সংবিধানকে হাতিয়ার করে তাঁরা নিজেদের মিশিয়ে দিচ্ছেন বিজেপির সঙ্গে। রাজ্যসভায় আপের সাংসদ সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ পদ্মশিবিরে যোগ দেবেন, ফলে তাঁরা দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় পড়বেন না। সাংবাদিক বৈঠকে তিনজন জানান, আপ ছেড়ে তাঁরা যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। পরে প্রকাশ্যে আসে দলবদলুদের নাম। আপ থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, রাঘব চাড্ডা, স্বাতী মালিওয়াল, হরভজন সিং, অশোক মিত্তল, সন্দীপ পাঠক, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহানি। বিষয়টি নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে আপ প্রধান লিখেছেন, "বিজেপি ফের পাঞ্জাবিদের ধাক্কা দিয়েছে।" কার্যত গেরুয়া পার্টির বিশ্বাসঘাতকতার কথাই বলেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।  

এদিকে দল ছাড়ার কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে রাঘব বলেন, “আমার ঘাম-রক্ত দিয়ে আপকে লালন করেছি, আমার যৌবনের ১৫টা বছর দিয়েছি। কিন্তু সেই আপ আদর্শচ্যুত হয়েছে। এই দলটা এখন আর দেশের জন্য কাজ করে না, স্রেফ ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করে। আমার মনে হয়, সঠিক ব্যক্তি হয়ে ভুল দলে রয়েছি। তাই আপ ছেড়ে আমি জনতার কাছে যাচ্ছি।”

পালটা রাঘবের বিজেপি যোগ নিয়ে আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং বলেছেন, "যে দল তাঁকে রাজ্যসভার আসন-সহ সবরকম সুযোগ দিয়েছিল, সেই দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন তিনি।" যোগ করেন, "শেষ পর্যন্ত তিনি বিজেপির কোলে গিয়ে বসলেন।"

উল্লেখ্য, চলতি মাসের প্রথমদিকে রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাঘবকে। তখন থেকেই আপ সাংসদের বিজেপি যোগের জল্পনা তুঙ্গে। সে সময়ে অশোক মিত্তলকে বসানো হয় রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদে। কিন্তু সেই তিনিও এবার নাম লিখিয়েছেন বিজেপিতে। প্রসঙ্গত, ইদানীং সোশাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন রাঘব। গিগ কর্মীদের অধিকার নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। টেলিকম সংস্থাগুলির রিচার্জ কেলেঙ্কারি নিয়েও সরব হয়েছেন। এসব করে তরুণ প্রজন্মের কাছে বেশ উজ্জ্বল ভাবমূর্তিও তৈরি করেছেন। অন্যদিকে আপের অভিযোগ, মোদির বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পান রাঘব। সেই কারণেই তাকে রাজ্যসভার নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement