কয়েকঘণ্টা পরে ভোট। এহেন পরিস্থিতিতে কার্যত পালিয়ে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে অসমের উদালগুড়ি কেন্দ্রে। বৃহস্পতিবার অসমের সব আসনে বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু আগের দিনই দল ছেড়ে দিলেন কংগ্রেস প্রার্থী সুরেন দাইমারি। দলের বিরুদ্ধে তোষণের রাজনীতি করার অভিযোগ এনেছেন তিনি। তবে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন না সুরেন। ইভিএমে থাকবে তাঁর নাম। পাবেন ভোটও।
উদালগুড়ি কেন্দ্রে সুরেনকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। কিন্তু সুরেনের অভিযোগ, প্রার্থী হলেও তাঁর প্রচার নিয়ে কোনও গুরুত্ব দেয়নি হাত শিবির। দল ছাড়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। ক্ষুব্ধ সুরেনের তোপ, "কংগ্রেস আমার পিঠে ছুরি মেরেছে। ঠকিয়েছে আমাকে। টিকিট দেওয়ার পরে ওরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ পর্যন্ত করেনি। আমি বারবার নেতাদের ফোন করেছি, কিন্তু কেউই সাড়া দেননি। দল বা দলের নেতা-কারোর তরফ থেকেই উত্তর আসেনি।"
বিজেপির তোপ, অসমে হারের গন্ধ পাচ্ছে কংগ্রেস। সেকারণেই প্রার্থীদের উপরেও ভরসা করছে না হাত শিবির। প্রার্থীদের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে না গিয়ে অন্যদের প্রতি মিথ্যে অভিযোগ আনতে ব্যস্ত।
সুরেন বলছেন, নির্বাচনী প্রচারে দলের তরফ থেকে তিনি কোনও সাহায্য পাননি। বাধ্য হয়েই কংগ্রেস ছাড়তে হয় বলে জানিয়েছেন তিনি। বিদায়বেলায় দলকে তোপ দাগতে ভোলেননি সুরেন। সাফ জানিয়েছেন, কংগ্রেস তোষণের রাজনীতি করছে। একটা সম্প্রদায়কে খুশি করে চলেছে। কংগ্রেস ছাড়লেও অন্য কোনও দলে নাম লেখাননি সুরেন। উল্লেখ্য, উদালগুড়ি কেন্দ্রে সুরেনের প্রতিপক্ষ বোরোল্যান্ড পিপলস ফ্রন্টের রিহন দাইমারি এবং ইউনাইটেড পিপলস পার্টির দীপেন বারো।
প্রসঙ্গত, ভোটের আগে থেকেই অসম কংগ্রেসে চলছে ভাঙন। দলের প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি ভূপেন বরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ভোটেও লড়ছেন। এহেন পরিস্থিতিতে বিজেপির তোপ, অসমে হারের গন্ধ পাচ্ছে কংগ্রেস। সেকারণেই প্রার্থীদের উপরেও ভরসা করছে না হাত শিবির। প্রার্থীদের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে না গিয়ে অন্যদের প্রতি মিথ্যে অভিযোগ আনতে ব্যস্ত কংগ্রেস, এমনটাই বলছে বিজেপি।
