১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে নতুন অর্থবর্ষ। আর সেদিন থেকেই এদেশে এটিএমের (ATM) নিয়মে বদল আনতে চলেছে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক। দৈনন্দিন নগদ তোলা থেকে ইউপিআইয়ের সাহায্যে এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে হতে চলেছে পরিবর্তন। নিঃসন্দেহে ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দিতেই এই ধরনের বদল আসছে বলে জানা যাচ্ছে।
জানা যাচ্ছে, এইচডিএফসি ব্যাঙ্কে এবার ইউপিআইয়ের সাহায্যে নগদ তোলাও মাসিক বিনামূল্যের লেনদেনের (ফ্রি ট্র্যানজাকশন) নির্দিষ্ট কোটার মধ্যেই ধরা হবে। এতদিন এটা আলাদা একটা ক্যাটাগরিতেই ধরা হত। কিন্তু এবার সেটা বদলে যাচ্ছে। অর্থাৎ নিজের ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে ৫টি, অন্য ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে ৩টি বিনামূল্যের লেনদেনের (নন-মেট্রো শহরে যা ৫) কোটাতেই এবার ইউপিআইয়ের সাহায্যে নগদ তোলাকেও ধরা হবে। নির্দিষ্ট সীমা পেরলেই গুনতে হবে লেনদেন পিছু ২৩ টাকা। আগে এই খরচ ছিল ২১ টাকা। গত বছরের মে মাস থেকে নতুন চার্জ ধার্য করা হয়েছে।
দৈনন্দিন নগদ তোলা থেকে ইউপিআইয়ের সাহায্যে এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে হতে চলেছে পরিবর্তন। নিঃসন্দেহে ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দিতেই এই ধরনের বদল আসছে বলে জানা যাচ্ছে।
আবার পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক বেশ কিছু ধরনের ডেবিট কার্ডে দৈনন্দিন লেনদেনের সীমা কমাচ্ছে। এতদিন ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তোলা যেত। এবার দৈনন্দিন হিসেবে নগদ তোলার সীম বেঁধে দেওয়া হচ্ছে ৫০ থেকে ৭৫ হাজার টাকার মধ্যে। বলা হচ্ছে, ঝুঁকি কমাতেই এমন পদক্ষেপ।
এদিকে জিও পেমেন্টস ব্যাঙ্ক আনতে চলেছে নতুন কিউআর-নির্ভর নগদ তোলার পদ্ধতি। অর্থাৎ ইউপিআই কিউআর কোড স্ক্যান করেই নগদ টাকা তোলা যাবে। সুতরাং এটিএম কার্ড না থাকলেও অসুবিধায় পড়বেন না গ্রাহকরা। স্রেফ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। তবে এই ধরনের সুবিধা সেখানেই বেশি মিলবে যেখানে এটিএম পরিষেবা খুবই সীমিত। আসলে এই ধরনের পরিবর্তনে নগদ ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার পাশাপাশি ডিজিটাল ব্যাঙ্কিংয়ে উৎসাহিত করাই লক্ষ্য ব্যাঙ্কগুলির। গ্রাহকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, তাঁরা যেন টাকা তোলার এই 'লিমিট'গুলির দিকে খেয়াল রাখেন। এবং অতিরিক্ত মাশুল গোনা থেকে নিজেদের বিরত রাখতে পারেন।
