বাংলা পঞ্জিকার তিথি মেনেই সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচন হতে চলেছে বিজেপিতে। আজ সোমবার, মাঘ শুক্ল পক্ষের প্রতিপদে মনোনয়ন এবং স্ক্রুটিনি হবে। মঙ্গলবার, দ্বিতীয়ায় হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এই অবস্থায়, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির সব মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য ইউনিটের সভাপতি এবং অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের সোমবার দিল্লিতে দলীয় সদর দপ্তরে আসতে বলেছে বিজেপি। দলের জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে তাঁদের।
যদিও, কার্যনির্বাহী জাতীয় সভাপতি নীতীন নবীনেরই দলের সভাপতি করা হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। বিজেপি তাঁর পদোন্নতিকে সাংগঠনিক ঐক্যের একটি বড় ছবি হিসেবে দেখাতে চায় বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির জাতীয় রিটার্নিং অফিসার কে লক্ষ্মণ লক্ষ্মণের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় প্রধান নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র ১৯ জানুয়ারি দুপুর ২টা থেকে ৪টার মধ্যে জমা দেওয়া যাবে এবং একই দিনে বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারবেন।
১৯ জানুয়ারি বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রয়োজনে ২০ জানুয়ারী ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং একই দিনে নবনির্বাচিত বিজেপি জাতীয় সভাপতির নাম ঘোষণা করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিজেপির সংবিধান অনুযায়ী, একটি রাজ্যের ইলেক্টোরাল কলেজের যেকোনও ২০ জন সদস্য যৌথভাবে জাতীয় সভাপতি পদের জন্য একজন প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করতে পারেন। তবে শর্ত হল ওই ব্যক্তিকে চার বছর ধরে দলের সক্রিয় সদস্য এবং কমপক্ষে ১৫ বছর আগে সদস্যপদ লাভ করতে হবে।
৪৫ বছরের নিতিন বিজেপির সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হতে চলেছেন। এতে খানিক ক্ষুব্ধ বিজেপির দ্বিতীয় সারির নেতারা। অনেকের আশঙ্কা, নিতিন সভাপতি হলে দলের মধ্যে তথাকথিত অল্পবয়সি নেতাদের দাপটে ধর্মেন্দ্র প্রধান, ভূপেন্দ্র যাদব, অশ্বিনী বৈষ্ণব, নির্মলা সীতারামনের মতো দ্বিতীয় সারির বিজেপি নেতানেত্রীরা গুরুত্বহীন হয়ে পড়তে পারেন। ফলে নিতিনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এই সব দ্বিতীয় সারির নেতার ক্ষোভ প্রশমিত করা।
