ভোট ঘোষণার পরেই রাজ্যের ১৪৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি (BJP Candidate List)। এবার বাকি আসনে প্রার্থী বাছাইয়ে জোরকদমে এগোচ্ছে বিজেপি। দলীয় সূত্রে খবর, কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী একাধিক আসনে নতুন মুখ তুলে আনার কৌশল নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। সেই তালিকায় অন্যতম নাম হতে পারে খড়গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের। তাঁকে কলকাতা কিংবা সংলগ্ন কোনও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে প্রার্থী করা হতে চলেছে বলেই বিজেপি সূত্রের খবর। একইসঙ্গে কলকাতার একাধিক আসনে মহিলা প্রার্থী হিসেবে কেয়া ঘোষের নামও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়াও বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ-কে কলকাতার একটি আসন থেকে প্রার্থী করার পরিকল্পনাও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যুব নেতৃত্বকে সামনে এনে শহুরে ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব বিস্তারের কৌশল নিয়েছে দল। অন্যদিকে বিজেপির দ্বিতীয় তালিকাতেও কোনও সংখ্যালঘু মুখকে প্রার্থী করা হচ্ছে না বলেও খবর।
তালিকায় অন্যতম নাম হতে পারে খড়গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের। তাঁকে কলকাতা কিংবা সংলগ্ন কোনও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে প্রার্থী করা হতে চলেছে বলেই বিজেপি সূত্রের খবর।
দলীয় সূত্রের দাবি, আজ বুধবার রাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হতে পারে। আর সেই বৈঠকেই বাংলার প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীর নামের দ্বিতীয় তালিকায় সিলমোহর পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই প্রথম তালিকা প্রকাশের পর রাজনৈতিক মহলে যে চর্চা শুরু হয়েছে, দ্বিতীয় তালিকা তা আরও তীব্র করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রের দাবি, আজ বুধবার রাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হতে পারে। আর সেই বৈঠকেই বাংলার প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীর নামের দ্বিতীয় তালিকায় সিলমোহর পড়তে পারে।
তবে প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিতর্কও বাড়ছে। বিজেপির প্রথম তালিকায় কোনও মুসলিম প্রার্থী না থাকায় বিরোধীরা তীব্র সমালোচনা করেছিল। দলীয় অন্দরের ইঙ্গিত, দ্বিতীয় তালিকাতেও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের কোনও প্রার্থীর নাম থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে—রাজ্যে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ককে কীভাবে সামাল দেবে বিজেপি? সব মিলিয়ে, প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে বাংলার নির্বাচনী ময়দানে।
