'ককরোচ'দের সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বদা পাশে আছে। বৃহস্পতিবার এই বার্তাই দিল মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং সাফ জানিয়ে দিলেন, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্য়েই অন্তত চারবার সরকারের তরফ থেকে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP Protest Delhi) সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীরা যখন যেখানে চাইবেন সেখানেই আলোচনা হবে, এমনটাই জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অন্যদিকে, নিটের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে কবে আলোচনা হবে সেই সিদ্ধান্তও বিরোধীদের হাতেই ছেড়েছে মোদি সরকার।
বৃহস্পতিবার জিতেন্দ্র জানিয়েছেন, "আমাদের কোনও ইগো নেই। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবন বা অফিসে আলোচনা হতে পারে। ককরোচদের সঙ্গে আমি এবং নাড্ডা বৈঠকে বসব। আলোচনার মাধ্যেমেই ধীরে ধীরে সমস্যা সমাধান হতে পারে। সরকার গোটা বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ করেছে। পড়ুয়াদের কল্যাণের জন্য সরকার কাজ করছে। আমি সকলকে অনুরোধ জানাই আলোচনার টেবিলে বসার জন্য।" উল্লেখ্য, সোমবার 'ককরোচ' প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন নাড্ডা। তবে তাতে লাভ হয়নি।
একই সঙ্গে বিরোধীদের প্রতিও বার্তা দিয়েছে মোদি সরকার। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন, কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিরোধীদের সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছেন। সাংসদরা নিজেদের মতামত জানিয়েছেন। তারপর রিজিজুর ঘোষণা, “বিরোধীরা যে দিন, যে ভাবে, যতক্ষণ ধরে আলোচনা করতে চাইবে, সরকার তাতেই রাজি। আমরা তৈরি, কিন্তু আপনারা শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন। কোনও অজুহাত দেবেন না। শর্ত বা অজুহাত দিলেই সবাই বুঝে যাবে যে আপনারা আসলে আলোচনা এড়িয়ে যেতে চাইছেন।” উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধী জানিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা না দিলে তাঁরা আলোচনায় বসবেন না।
প্রসঙ্গত, সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন “ছাত্রদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ আমাদের কাছে কিছুই নয়। তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপস করবে না সরকার। দেশের যুবসমাজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করাটাই আমাদের লক্ষ্য।” সব প্রশ্নফাঁসের দোষীদের দ্রুত শাস্তি দেওয়ার জন্য ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরি হবে বলেও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
