বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি প্রধান অজিত পওয়ারের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নামল সিআইডি। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৯৪ ধারায় আগেই একটি মামলা রুজু করেছিল পুণের গ্রামীণ পুলিশ। সেই মামলার ভিত্তিতেই সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে।
গত বুধবার সকালে মুম্বই থেকে বারামতি যাওয়ার পথে বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। বারামতি বিমানবন্দরে ভেঙে পড়ে অজিতের বিমান। তাতে মৃত্যু হয় অজিত-সহ বিমানে থাকা পাঁচ জনেরই। মহারাষ্ট্র পুলিশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই মামলার নথিপত্র সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীরা শীঘ্রই বারামতির ঘটনাস্থলে যাবেন। বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের অধীনস্থ এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি)।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার কবলে পড়া বিমানটির ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার হয়েছে। বারামতি বিমানবন্দরের ‘কাজ-চালানো’ এটিসি-র সঙ্গে পাইলটদের সর্বশেষ কথোপথন জানতে এখন ভরসা ব্ল্যাক বক্সের ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। ডিজিসিএ-র এক কর্তাকে উদ্ধৃত করে একটি চ্যানেলের দাবি, বিমান ভেঙে পড়ার ঠিক আগে ককপিটে কারও গলায় তাৎক্ষণিক উদ্বেগসূচক একটি বিশেষ শব্দবন্ধ শোনা গিয়েছে। হয়তো তিনি বুঝেছিলেন, বিমান ভেঙে পড়ছে। কম দৃশ্যমানতায় বিমান নামানোর ‘আইএলএস’ প্রযুক্তি, নিজস্ব এটিসি টাওয়ার, কিছুই নেই বারামতীতে। ফলে সম্পূর্ণ নিজের দক্ষতায় ভর করে নামতে গিয়ে প্রথমে রানওয়েই দেখতে পাননি পাইলট। ঘুরে এসে দ্বিতীয় চেষ্টা করার সময়ে দুর্ঘটনা ঘটে।
বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই ধরনের বিমানবন্দরে, যেখানে কয়েক মিনিট আগে রানওয়েই দেখা যাচ্ছিল না, সেখানে কুয়াশাজনিত কম দৃশ্যমানতা সত্ত্বেও নামার চেষ্টা করাটা ঝুঁকির। পাইলট সম্ভবত বিশেষ অনুমতি নিয়েই নামছিলেন।
