বঙ্গে ভোটের আগে এসআইআরের কাজ নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। বিশেষত আনম্যাপড ও লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির নামে বহু ভোটারকে যে শুনানির জন্য নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন, তাতে অযথা হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, তুচ্ছ কারণে তাঁদের শুনানিকেন্দ্রে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি এসআইআরের কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্যের আধিকারিকরাও সংশয় প্রকাশ করেছেন যে এত মানুষকে শুনানিতে ডাকা হলে ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কাজ পিছিয়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। লক্ষ্য একটাই, সময়মতো চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা।
এসআইআরের কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্যের আধিকারিকরাও সংশয় প্রকাশ করেছেন যে এত মানুষকে শুনানিতে ডাকা হলে ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কাজ পিছিয়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী -
- ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে শুনানির নোটিস পাঠাতে হবে ভোটারদের। বিএলও-রা সেই নোটিস পৌঁছে দেবেন ১ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে। তার পর আর কোনও নোটিস গ্রাহ্য নয়।
- আগামী সাতদিনের মধ্যে অর্থাৎ ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শুনানির যাবতীয় কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শুনানিকেন্দ্রে ভোটারদের হাজিরার তথ্য টাঙাতে হবে।
- আগামী ২-৩দিনের মধ্যে মাইক্রোঅবজার্ভারদের তুলে নিতে হবে, তাঁরা রোল অবজার্ভারদের কাজে সাহায্য করবেন।
- সিস্টেমে আপলোড হওয়া সমস্ত ডিজিটাল নথি, মাইক্রো অবজার্ভার ও রোল অবজার্ভার ইনপুট এবং ERO/AERO-দের ‘সুপার চেকিং’ করতে হবে। এই তদারকি করবেন ডিইও, রোল অবজার্ভার, স্পেশাল রোল অবজার্ভার এবং সিইও।
- জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের দায়িত্ব, কোনও নিয়ম ভাঙা না হয় এবং সব মামলার নিয়ম মেনে নিষ্পত্তি হয়।
- এসআইআর শুনানি শেষে সেই সংক্রান্ত তথ্য আপলোড করার পর তা ‘সুপার চেকিং’ করতে হবে DEO অথবা বিশেষ পর্যবেক্ষকদের।
উল্লেখ্য, কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ এসেছে। শুক্রবার রাজ্যের সিইও অফিসে এনিয়ে বৈঠক হয়েছে। এরপরই এসআইআরের কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের কাজের সময়সীমা বেঁধে দিল কমিশন। প্রতিটি ধাপের কাজের জন্য নির্দিষ্ট সময়ও ঠিক করে দেওয়া হল।
