আনন্দপুরের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড প্রাণ কেড়েছে অন্তত ২৫ জনের। এখনও বেশ কয়েকজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে জনপ্রিয় মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার দুই আধিকারিক গ্রেপ্তার। শহর কলকাতায় এমন তোলপাড় ফেলা ঘটনায় এবার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। শুক্রবার সন্ধ্যায় পিএমও দপ্তর থেকে আনন্দপুরের হতাহতদের জন্য আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হল। এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে নিহতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় পিএমও দপ্তর থেকে আনন্দপুরের হতাহতদের জন্য আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হল। এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে নিহতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
পোস্টে আরও লেখা, আনন্দপুরের যে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তাতে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত দুঃখিত। যাঁরা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সমবেদনা এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে। এরপরই প্রধানমন্ত্রীর তরফে জানানো হয়েছে, মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। যদিও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত, বাংলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কেন্দ্রের এই তৎপরতা।
গত রবিবার, ২৫ জানুয়ারি গভীর রাতে আনন্দপুরের অদূরে নাজিরাবাদে জনপ্রিয় মোমো তৈরির সংস্থার কারখানায় আগুন লাগে। বাইরে না বেরতে পেরে পুড়েই মৃত্যু হয় একের পর এক শ্রমিকের। শুক্রবার পর্যন্ত উদ্ধারকাজে ২৭ জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপে এখনও আটকে বেশ কয়েকজন। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পরিস্থিতি বুঝে, আইন মেনেই বৃহস্পতিবার গিয়েছিলেন আনন্দপুরের অকুস্থলে। তবে দূর থেকেই তিনি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। এরপর শুক্রবার হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে একই ইস্যুতে নির্দিষ্ট রুটে মিছিল করেন বিজেপির প্রতিনিধিরা। সেই মিছিলে আবার ডিজে বাজানো নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়ে বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বাধীন মিছিল। এরপর এদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে হতাহতদের জন্য আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হল।
