কেন্দ্রীয় বাজেটের দিনই একধাক্কায় অনেকটা বাড়তে চলেছে বিড়ি-সিগারেট-গুটকা-সহ অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের দাম। এই পণ্যগুলির উপর যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করার কথা গত কেন্দ্রীয় বাজেটে ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, সেটা কার্যকর হচ্ছে আজ থেকেই।
কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার বিড়ি-সিগারেট তথা অন্যান্য তামাকজাত পণ্যকে ‘পাপ পণ্য’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে। জিএসটি-র নতুন কাঠামোয় এগুলিই হতে চলেছে সবথেকে দামি পণ্য। এর মধ্যে রয়েছে, তামাক, গুটখা, পান মশলা, মদ এবং কোল্ডড্রিঙ্কের মতো সামগ্রী। গত ডিসেম্বরেই সংসদে দুটি পৃথক বিল পাশ হয়েছিল। সেই বিলের মাধ্যমেই পানমশলা উৎপাদনে নতুন সেস এবং তামাকজাত পণ্যের উপর অতিরিক্ত এক্সাইজ ডিউটি আরোপের পথ প্রশস্ত হয়।
সিগারেট (৪০ শতাংশ জিএসটি) সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধি:
ছোট নন ফিল্টারড (৬৫ মিমি পর্যন্ত) ২.০৫ টাকা
ছোট ফিল্টারড (৬৫ মিমি পর্যন্ত) ২.১০ টাকা
মাঝারি (৬৫-৭০ মিমি) ৩.৬-৪ টাকা
বড় (৭০ মিমির উপর) ৫.৪ টাকা পর্যন্ত
কিং সাইজ ও অন্যান্য বিশেষ ডিজাইন ৮.৫ টাকা পর্যন্ত
মূল্যবৃদ্ধির আওতায়:
গুটকা (৯১ শতাংশ), পানমশলা (৮৮ শতাংশ) ও অন্য তামাকজাত পণ্য
বিড়িতে জিএসটি কমে ১৮ শতাংশ।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ওই ধরনের পণ্যের উপর ৪০ শতাংশ জিএসটি বসতে চলেছে। সঙ্গে অতিরিক্ত সেসও বসানো হচ্ছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘হেলথ অ্যান্ড ন্যাশনাল সিকিউরিটি সেস’। এর সঙ্গে জারি হবে অতিরিক্ত এক্সাইজ ডিউটি। আগে ২৮ শতাংশ করের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ সেস ধার্য করা হত। এর ফলে মোট ট্যাক্সের পরিমাণ হত ৫৩ শতাংশ। এবার পর পর তিন ধরনের শুল্ক আরোপের পাশাপাশি জিএসটি বাড়ায় করের পরিমাণটা অনেকটা বাড়ছে। যার ফলে সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের দাম অনেকটাই বাড়তে চলেছে।
