Advertisement

প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে সমস্যা, আংশিকভাবে স্কুল খোলার জন্য মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে আরজি CISCE’র

09:52 PM Dec 03, 2020 |

দীপঙ্কর মণ্ডল: অনলাইনে নয়, এবার স্কুলে গিয়ে ক্লাস নেওয়ার ভাবনা ICSE বোর্ডের। প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসের জন্য আগামী জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে খোলা হোক স্কুলগুলি। বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে এই আরজি জানাল CISCE. কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেরি অ্যারাথুন এই মর্মে এক প্রেস বিবৃতি জারি করে জানান যে আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে স্কুল খোলা হোক, পড়ুয়া ও শিক্ষকরা এবার সরাসরি ক্লাসে যোগ দিক।

Advertisement

করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতিতে গত মার্চ থেকেই বন্ধ স্কুল, কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ক্লাস হচ্ছে মূলত অনলাইনে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বদলে গিয়েছে পরীক্ষার ধরনও। ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট, ওপেন বুক এক্সাম পদ্ধতিতে স্কুল ও কলেজ পড়ুয়াদের মূল্যায়ণ করা হয়েছে। CBSE, ISCE, মাধ্যমিক-সহ একাধিক পরীক্ষায় বসতে হয়নি পড়ুয়াদের। ২০২০-র শিক্ষাবর্ষ আপাতত এমনই কেটেছে। কিন্তু একুশে কী হবে? সেদিকে চোখ রেখেই কেন্দ্রীয় বোর্ডের আরজি, স্কুল খুলে দেওয়া হোক। বিশেষত প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসের জন্য। কারণ, তা অনলাইন ক্লাসে সম্ভব নয়।

[আরও পড়ুন: হিন্দুত্বে ভরসা নেই! কেরলের স্থানীয় নির্বাচনে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের সামনে রেখে লড়ছে বিজেপি]

প্রেস বিবৃতিতে CISCE’র সেক্রেটারি জেরি অ্যারাথুন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণি অর্থাৎ যারা আগামী বছর বোর্ড পরীক্ষায় বসতে চলেছে, তাদের ওয়ার্ক এডুকেশন (SUPW) বা ফিজিক্যাল এডুকেশনের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস অনলাইনে সম্ভব নয়। তাই অন্তত তাদের কথা ভেবে স্কুলে আসতে দেওয়া হোক। এছাড়া অনলাইন ক্লাসের পরও নানা বিষয় নিয়ে অনেকের বোঝার সমস্যা থেকে যাচ্ছে। তাদের সেই সংশয় দূর করার জন্যও স্কুলে আসা প্রয়োজন। নির্দিষ্ট কোভিডবিধি মেনে ক্লাস হওয়ার বিষয়টি স্কুলগুলিকে দায়িত্ব নিতে হবে বলেও মত তাঁর। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে এ বছর স্কুল, কলেজ খুলবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে শিক্ষাদপ্তর। এখন মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষা। তিনি অনুমতি দিলে রাজ্যের ICSE স্কুলগুলি খোলার জন্য প্রস্তুত বলে জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: ৯৮ বছর বয়সে প্রয়াত ভারতের ‘মশলা কিং’ ধর্মপাল গুলাটি]

অন্যদিকে, আগামী বছর বাংলা-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার জন্য ICSE, CBSE বোর্ডের পরীক্ষা পিছিয়ে যাবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখছে কাউন্সিল। তাই নির্বাচন কমিশনে (Election Commission) চিঠি লিখে ভোটের নির্ঘণ্ট জানতে চাওয়া হয়েছে বলে প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন জেরি অ্যারাথুন। তাতে আবেদন, পরীক্ষার দিনগুলিকে বাদ রেখে যেন ভোটের দিনক্ষণ স্থির করা হয়।

Advertisement
Next