shono
Advertisement
Cockroach Janta Party

‘ককরোচ জনতা পার্টি’তে যোগ মহুয়া-কীর্তি আজাদের! কীসের প্রতিবাদে সরব ২ তৃণমূল সাংসদ?

‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপক। সূত্রের খবর, এর আগে তিনি আম আদমি পার্টি (আপ)-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে অভিজিৎ আপের হয়ে সমাজমাধ্যমে প্রচারের কাজ করেছিলেন। নয়া এই রাজনৈতিক ফ্রন্টটির আদর্শবাণী হল- ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক, অলস।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 07:47 PM May 18, 2026Updated: 08:17 PM May 18, 2026

ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party)। নয়া এই ‘রাজনৈতিক দলে’ই এখন মজে ‘জেন জি’ থেকে গোটা সমাজমাধ্যম। তবে আপাতভাবে এটি একটি রাজনৈতিক দল মনে হলেও ব্যাপার ঠিক তা নয়। বলা যেতে পারে, এটি একটি প্রতীকী বা ব্যঙ্গাত্মক 'রাজনৈতিক দল'। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল নয়া এই ‘দলে’ই এবার যোগ দিলেন তৃণমূলের দুই সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং কীর্তি আজাদ।

Advertisement

কিন্তু কীভাবে গঠিত হল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’? আসলে গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের শুনানির সময় তিনি বলেন, “বেকার তরুণ-তরুণীদের একাংশ আরশোলার মতো আচরণ করেন।” তাঁর কথায়, “ওই তরুণ-তরুণীরা কোনও পেশায় স্থান না পেয়ে সাংবাদিক, সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী বা তথ্যের অধিকার কর্মী হিসাবে কাজ শুরু করেন এবং সকলকে আক্রমণ করেন।” দেশের প্রধান বিচারপতির এহেন মন্তব্য ঘিরে চর্চা শুরু হয় সমাজমাধ্যমে। নিন্দায় সরব হন নেটিজেনদের একাংশ। এরপরই প্রকাশ্যে আসে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। যদিও প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত পরে জানান, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যখ্যা করা হচ্ছে।

‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপক। সূত্রের খবর, এর আগে তিনি আম আদমি পার্টি (আপ)-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে অভিজিৎ আপের হয়ে সমাজমাধ্যমে প্রচারের কাজ করেছিলেন। নয়া এই রাজনৈতিক ফ্রন্টটির আদর্শবাণী হল- ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক, অলস। ইতিমধ্যেই তাঁরা নিট কেলেঙ্কারি-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রতিবাদেও সরব হয়েছে।

‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বয়স মাত্র ২ দিন। এর মধ্যেই নাকি ফ্রন্টটির সদস্য সংখ্যা ৪০ হাজারে পৌঁছেছে বলে দাবি। সমাজমাধ্যমেও প্রভুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। সূত্রের খবর, এই ফ্রন্টটিতে যোগ দিয়েছেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ কীর্তি আজাদ। নিট কেলেঙ্কারি-সহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতেই এই পরক্ষেপ। যদিও এবিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ২ সাংসদ এখনও কিছু জানাননি। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement