কয়েকদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, শীঘ্রই তিনি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর করবেন। এই আবহে রবিবার দিল্লিতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর এবং অন্যান্য মার্কিন প্রতিনিধিরা। জল্পনা সত্যি করে কি তাহলে অবশেষে দু’দেশের বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন হতে চলেছে?
এদিন জয়শংকর তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইতিবাচক বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক এবং ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’ তবে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দু’পক্ষের কোনও আলোচনা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রায় দু'সপ্তাহ আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত দাবি করেছিলেন, আমেরিকার কাছে ভারতই হল সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব আমেরিকার কাছে যতটা গুরুত্বপূর্ণ, ততটা আর কোনও দেশের ক্ষেত্রে নয়। শুধু তা-ই নয়, বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দিল্লির সঙ্গে ওয়াশিংটন আরও এক দফা কথা বলবে বলেও জানিয়েছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালেও রবিবারের বৈঠকে বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও দু'পক্ষের আলোচনা হয়ে থাকতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, “মোদির সঙ্গে আমার সম্পর্ক সুমধুর। তাঁর প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। মোদি দারুণ একজন নেতা।" সুইৎজারল্যান্ড থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন, শীঘ্রই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করবে আমেরিকা। এই পরিস্থিতিতে জয়শংকর-মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
