shono
Advertisement
All-Party Meet

দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি স্থিতিশীল, আরও তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ আসছে, সর্বদলীয় বৈঠকে দাবি কেন্দ্রের

কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, বৈঠকে সব দল সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে, সংকটের সময়ে সবরকম ভাবে সরকারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার চলমান সংঘাত, ভারতের উপর তার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমস্ত দলের প্রতিনিধিরাই।
Published By: Kishore GhoshPosted: 07:54 PM Mar 25, 2026Updated: 08:20 PM Mar 25, 2026

ভারতের জ্বালানি পরিস্থিতি স্থিতিশীল। যুদ্ধের আবহে হরমুজ ডিঙিয়ে ভারত অভিমুখে রওনা দিয়েছে একাধিক গ্যাস ও তেলবাহী জাহাজ। বুধবার এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের সর্বদলীয় বৈঠকে নিশ্চিত করল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, বৈঠকে সব দল সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে, সংকটের সময়ে সবরকম ভাবে সরকারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার চলমান সংঘাত, ভারতের উপর তার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমস্ত দলের প্রতিনিধিরাই।

Advertisement

কিরেন রিজিজু বলেন, "বিরোধী দলের সব নেতারা বলেছেন যে এই সংকটকালে সরকারপরিস্থিতি অনুযায়ী যে সিদ্ধান্তই নিক, যে পদক্ষেপই গ্রহণ করুক, সকলেই ঐক্যবদ্ধভাবে সমর্থন করবেন।" সরকারের তরফে যুদ্ধ পরিস্থিতি, ভারতের অবস্থান, জ্বালানি পরিস্থিতি তথ্য-সহ বিস্তারিত জানানো হয় বিরোধী দলের নেতাদের। সূত্রের খবর, বৈঠকে সরকার পক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশের জ্বালানির চাহিদা মেটানো হচ্ছে। নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ইতিমধ্যেই জ্বালানি আমদানির জন্য অগ্রিম বুকিং করছে। এর জন্য একাধিক দেশের সঙ্গে আলোচনা চালানো হচ্ছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত হরমুজ প্রণালী দিয়ে এলপিজি আসা নিয়ে বিরোধী দলগুলির উদ্বেগের জবাবে সরকার বলেছে, সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে চারটি জাহাজ ভারতের বন্দরে ভিড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। সরকার জোর দিয়ে বলেছে, কোনও ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। বিরোধীরা কূটনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুললে সরকারের তরফে দাবি করা হয়, “ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ” রয়েছে। “উদ্বেগের কিছু নেই” এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে যে কোনও সময় বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী কেন্দ্রীয় সরকার।

একথা বললেও এলপিজি ও পিএনজি নিয়ে একাধিক নির্দেশিকার কারণ কী, জানায়নি কেন্দ্র। সিঙ্গল সিলিন্ডার ২৫ দিনে বুকিং নিয়মের পর ৩৫ দিনে ডাবল সিলিন্ডার বুক করা যাবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। এছাড়াও এলপিজি-র বদলে নলবাহিত গ্যাসে (পিএনজি)-তে জোর দেওয়া হচ্ছে। যে অঞ্চলে নলবাহিত (পাইপলাইন গ্যাস বা পিএনজি) রান্নার গ্যাস নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেখান গ্রাহকরা তা না নিলে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে বাড়ির এলপিজি (LPG Cylinder Crisis) সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement