মেয়েকে পড়াতে বসেছিলেন বাবা। অঙ্ক করাতে বসে মেয়েকে বলেছিলেন ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত লিখতে। কিন্তু কয়েকটা সংখ্যা লেখার পরেই আর লিখতে পারেনি চার বছরের মেয়েটি। সেই রাগে তাকে পিটিয়ে মেরেই ফেললেন বাবা!
হরিয়ানার ফরিদাবাদের এই ঘটনায় অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম কৃষ্ণ জয়সওয়াল। উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্র জেলার খেরাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা কৃষ্ণ স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ফরিদাবাদে একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। কৃষ্ণ এবং তাঁর স্ত্রী দু'জনেই বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। দু'জনেই পালা পালা করে মেয়েকে দেখতেন। ঘটনার দিন অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি সকালে অফিসে গিয়েছিলেন কৃষ্ণের স্ত্রী। কৃষ্ণ বাড়িতেই ছিলেন। মেয়েকে দেখাশোনা করছিলেন। তাকে পড়াতে বসেই ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, মেয়েকে অঙ্ক করাতে বসেছিলেন বছর একত্রিশের ওই যুবক। তাঁর কথা মতো শিশুটি ১ থেকে ৫০ পুরো লিখতে পারেনি। তাতেই বাবা রেগে গিয়েছে মেয়েকে বেধড়ক মারধর করেছেন বলে অভিযোগ। পরে তাঁর স্ত্রী বাড়ি ফিরে দেখেন, মেয়ে ঘরে মরে পড়ে রয়েছে। এর পর তিনিই পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে কৃষ্ণকে গ্রেপ্তার করে।
ফরিদাবাদের এক পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁকে আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। বিচারক ১ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। মেয়েটির দেহের ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে। পরে দেহ তুলে দেওয়া হয়েছে পরিবারের হাতে।
