নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে ডামাডোলের মাঝেই শিক্ষামন্ত্রকের ভবনে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড। সোমবার সকালে দিল্লির আইটিও এলাকায় স্কুল অফ প্ল্যানিং ভবনের দোতলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৮টি ইঞ্জিন। ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া না গেলেও প্রচুর নথিপত্র পুড়ে গিয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি অনুযায়ী, সোমবার সকালে ভবনের দোতলা থেকে প্রচুর ধোঁয়া বেরতে দেখা যাচ্ছিল। এই ঘটনায় সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকল বিভাগে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের দাবি অনুযায়ী, সকাল ৯টা ৩৭ নাগাদ তারা দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় দমকলের ৮টি ইঞ্জিন। দীর্ঘক্ষনের চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। কীভাবে আগুন লাগল সেটাও স্পষ্ট নয়। দপ্তরে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এই ঘটনা চিন্তা বাড়াচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। অগ্নিকাণ্ডের রহস্য জানতে তদন্ত শুরু করেছে দমকল বিভাগ। অগ্নিকাণ্ডের জেরে প্রচুর নথিপত্র পুড়ে গিয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
এদিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এমন সময়ে সামনে এসেছে যখন নিট প্রশ্নফাঁস, সিবিএসই পোর্টালের নিরাপত্তা ইস্যুতে মুখ পুড়েছে শিক্ষা মন্ত্রকের। গত শুক্রবার একান্ত সাক্ষাৎকারে ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রশ্নফাঁসের কথা স্বীকার করে বলেন, “আমি মেনে নিচ্ছি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা ব্যর্থ হয়েছে, সেটাও আমি স্বীকার করছি।” এই ঘটনার তদন্তে নেমে সিবিআই জানতে পেরেছে প্রশ্নফাঁসের এই জাল বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জাতীয় পরীক্ষা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত একাধিক প্রাক্তন অধ্যাপককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ডামাডোলের মাঝেই শিক্ষামন্ত্রকের ভবনে অগ্নিকাণ্ড ও নথি পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
