shono
Advertisement

Breaking News

N Chandrasekaran

৯ বছর সামলেছেন টাটার সাম্রাজ্য, এবার মোদি মন্ত্রিসভায় সেই ক্ষুরধার মস্তিষ্ক?

মোদি মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা শোনা যাচ্ছে। কর্পোরেট জগত থেকে মহীরুহকে আনছেন প্রধানমন্ত্রী।
Published By: Subhajit MandalPosted: 05:53 PM Aug 25, 2026Updated: 06:15 PM Aug 25, 2026

ফেব্রুয়ারির পর আর টাটার চেয়ারম্যান পদে থাকছেন না এন চন্দ্রশেখরন। সপ্তাহ দু'য়েক আগেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর উত্তরসূরি খোঁজার কাজও শুরু করে দিয়েছে টাটা গোষ্ঠী। তবে এবার রাজনীতির অলিন্দে অন্য জল্পনা শোনা যাচ্ছে। তা হল দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন টাটা গোষ্ঠীর প্রথম অ-পার্সি চেয়ারম্যান।

Advertisement

২০১৭ সালে টাটা গোষ্ঠীর প্রথম নন-পার্সি চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নেন এন চন্দ্রশেখরন। আগামী বছর ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁর মেয়াদবৃদ্ধি নিয়ে দোলাচলের জেরেই ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রশেখরন। জানিয়েছেন, তিনি টাটা সন্সের বোর্ডকে জানিয়ে দিয়েছেন যে তাঁর মেয়াদবৃদ্ধি করা হোক তা তিনি চান না। তবে হঠাৎই ইস্তফা দিলে কোনও সংকট যাতে তৈরি না হয় এবং মসৃণভাবে নেতৃত্ব হস্তান্তর সম্পূর্ণ হতে পারে তার স্বার্থেই ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারিত মেয়াদ পুরো করবেন তিনি।

তবে চন্দ্রশেখরনের ওই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রাজনীতির অলিন্দে তাঁর প্রবেশের সম্ভাবনাই কাজ করেছে বলে রাজনৈতিক মহলের অভিমত। এমনকী, মন্ত্রিসভার পরবর্তী রদবদলেই চার দশক কর্পোরেট জগতের দায়িত্ব সামলানো চন্দ্রশেখরন জায়গা পেতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও বিষয়টি নিশ্চিত করেনি কোনও পক্ষই। তবে জল্পনা জোরদার। চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্ক খুবই ভালো। তিনি টাটাতে থাকাকালীনও বেশ সুসম্পর্ক ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। সূত্রের দাবি, সরকারের শীর্ষস্তরে ইতিমধ্যেই চন্দ্রশেখরনকে সরকারে বড় কোনও দায়িত্ব দেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। নিতান্তই যদি মন্ত্রী নাও করা হয়, তাহলে অর্থমন্ত্রকের বড় কোনও পদ বা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বড় কোনও পদের কথা ভাবা হতে পারে।

উল্লেখ্য, মোদি মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা শোনা যাচ্ছে। সদ্য নিজের টিম ঘোষণা করেছেন বিজেপি সভাপতি নীতীন নবীন। সেই টিমে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসাবে নাম রয়েছে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী পীযুষ গোয়েলের। বিজেপির অঘোষিত নীতি হচ্ছে 'এক ব্যক্তি এক পদ'। সেক্ষেত্রে পীযুষের আর মন্ত্রিসভায় থাকার কথা নয়। তাঁর জায়গায় চন্দ্রশেখরনের কথা ভাবা হতে পারে। আবার অর্থমন্ত্রকেও তাঁর কথা ভাবা হতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement