একটি নতুন স্মার্টফোন কিনতে চেয়েছিলেন ২২ বছরের তরুণী। সংসারের আর্থিক পরিস্থিতির কথা ভেবে বারণ করেছিলেন স্বামী। এই নিয়ে তীব্র দাম্পত্য কলহের পর অভিমানে আত্মঘাতী হলেন ওই তরুণী। গুজরাটের আরাবল্লী জেলার এই ঘটনায় শোকে মুহ্যমান পরিবার ও প্রতিবেশীরা।
তরুণীর নাম উর্মিলা খানন রিজন। আদতে নেপালের নগারিক হলেও বর্তমানে মোদাসার বাসিন্দা শরণার্থী এই পরিবারটি। দম্পতির এক সন্তানও রয়েছে। এলাকায় একটি চাইনিজ খাবারের দোকান চালান তাঁরা । বেশ কিছু দিন হল স্বামীর কাছে বারবার নতুন ফোনের আবদার করছিলেন উর্মিলা। যদিও আর্থিক কারণে প্রতিবারই তা নাকচ করে দিচ্ছেলেন স্বামী। এই নিয়ে দু'জনের মধ্যে তীব্র কলহ বাধে। শেষ পর্যন্ত স্বামীর অনুপস্থিতি নিজেদের বাসস্থানেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন তরুণী। মৃত্যু হয় উর্মিলার।
তরুণীর ঝুলন্ত দেহ দেখে প্রতিবেশীরাই পুলিশে খবর দেয়। মোদাসা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উর্মিলা খানন রিজনের দেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তে পাঠায়। আপাতত দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একটি মোবাইল ফোনের জন্য
এভাবে আত্মহত্যার ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে গোটা এলাকায়।
