সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য হিমাচল প্রদেশে। অভিযুক্ত তিন ছাত্রী ও এক অধ্যাপক। র্যাগিংয়ের পাশাপাশি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে অধ্যাপকের বিরুদ্ধে।
জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রী মোবাইলে ভিডিও রেকর্ড করে সমস্ত অভিযোগ জানান। তখনই তাঁকে বলতে শোনা যায়, অধ্যাপক কীভাবে তাঁকে অশালীন স্পর্শ করেছেন। সেই সঙ্গেই অন্যভাবে মানসিক ও যৌন নিপীড়নেরও অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি ওই তিন ছাত্রীর বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের অভিযোগও তুলতে দেখা যায় তাঁকে।
ঘটনা ১৮ সেপ্টেম্বরের। সেই সময় ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২৬ ডিসেম্বর মৃত্যু হয়েছে তাঁর। মেয়েটির বাবা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর হেল্পলাইনেও তিনি অভিযোগ করেছেন। কিন্তু প্রাথমিক ভাবে কোনও সাড়া মেলেনি। তবে পরে পুলিশ অভিযোগ দায়ের করেছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।
এদিকে কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ। কলেজের অধ্যক্ষের দাবি, ওই তরুণী কোনও অভিযোগই জানাননি। পাশাপাশি প্রথম বর্ষে তিনটি বিষয়েও মেয়েটি পাশ করতে পারেননি বলেও জানাচ্ছেন তিনি। গত ২৯ জুলাইয়ের পর থেকে তাঁকে আর কলেজে ক্লাস করতে দেখা যায়নি বলেও দাবি তাঁর।
অভিযুক্ত অধ্যাপকেরও পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর দাবি, ওই ব্যক্তি বহুদিন ধরে নির্বিঘ্নে পড়াচ্ছেন। তবে বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে, তাই এর বেশি তিনি বলবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি। এরই পাশাপাশি তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''র্যাগিংয়ের ব্যাপারে আমাদের জিরো-টলারেন্স নীতি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের র্যাগিং কমিটির শিক্ষকদের কাছে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়। এবং এমন অনেক শিক্ষিকা ছিলেন যাদের কাছে সে অভিযোগ করতে পারত, কিন্তু সে তা করেনি। কলেজ কর্তৃপক্ষ এমন কোনও অভিযোগ পায়নি।''
