নির্যাতিতার পরিচয় গোপন রাখতে হবে। আগেই কঠোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সেই নির্দেশ নিম্ন আদালতগুলিতে মানা হচ্ছে না! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ যেন কঠোরভাবে পালন করা হয়, একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সব হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এমনই নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত।
মামলার রায়ে বিচারপতিরা লিখেছেন, "এই রায়ের একটি অনুলিপি সমস্ত হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলদের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দিচ্ছি আমরা। নির্যাতিতার পরিচয় গোপন রাখতে হবে। আগের একটি মামলাতেও এই নির্দেশ দিয়েছে আদলত।"
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও এন কোটিশ্বর সিং-এর এজলাসে একটি নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলা ওঠে। সেই মামলার শুনানি শেষে অভিযুক্তকে ধর্ষণের মামলায় বেকসুর খালাস করেছে শীর্ষ আদালত। রায় দিতে গিয়ে আদেশের একদম শেষে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, নির্যাতিতার পরিচয় যে কোনও উপায়ে গোপন রাখতে হবে। দেশেরে সমস্ত হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এই মর্মে মামলাটির প্রতিলিপি পাঠানো হচ্ছে।
মামলার রায়ে বিচারপতিরা লিখেছেন, "এই রায়ের একটি অনুলিপি সমস্ত হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলদের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দিচ্ছি আমরা। নির্যাতিতার পরিচয় গোপন রাখতে হবে। আগের একটি মামলাতেও এই নির্দেশ দিয়েছে আদলত।"
উল্লেখ্য, ধর্ষণের মতো মামলায় নির্যাতিতার নাম ও স্থায়ী ঠিকানা প্রকাশ্যে আনা হয় না। এমনকী নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের নাম, পরিচয় সামনে আনার ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু অনেকাংশেই দেখা যাচ্ছে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যের নাম প্রকাশ্যে আসছে। তা রুখতেই এবার দেশের সমস্ত হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলদের কড়া নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত।
