সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির কর্তব্য পথে ভারতের তিন বাহিনীর (স্থল, বায়ু ও নৌসেনা) কুচকাওয়াজ অন্যতম আকর্ষণ। 'সাধারণতন্ত্র' এই শব্দটি একদিকে যেমন বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের জয় ঘোষণা করে, তেমনই সেই গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দিতে বিশ্বের চতুর্থ শক্তিশালী সামরিক শক্তি প্রদর্শনের দিনও ২৬ জানুয়ারি। সেই ঐতিহ্য মেনে কর্তব্য পথ কাঁপাল ব্রহ্মস মিসাইল থেকে শুরু করে টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাঙ্ক। LR-AShM হাইপারসনিক মিসাইল থেকে শুরু করে সুখোই-৩০, মিগ-২৯ এবং জাগুয়ারের মতো যুদ্ধবিমান।
ঐতিহ্য মেনে কর্তব্য কাঁপাল ব্রহ্মস মিসাইল থেকে শুরু করে টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাঙ্ক।
রাজধানী দিল্লির আকাশ কাঁপিয়ে উড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান। সিঁদুর ফর্মেশনে উড়ল সুখোই-৩০, মিগ-২৯ এবং জাগুয়ার যুদ্ধবিমান। কর্তব্য পথে দাপট দেখাল ব্রহ্মস মিসাইল এবং 'সূর্যাস্ত্র'। প্রতিপক্ষ বাহিনীর রাডার সিস্টেম ধ্বংস করে তাদের কার্যত অন্ধ করে দেয় এই সূর্যাস্ত্র। এদিন কুচকাওয়াজ অংশ নিল টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাঙ্ক। ভারতীয় স্থলসেনার মেরুদণ্ড বলা হয় রুশ নির্মিত এই ট্যাঙ্কটিকে।
কর্তব্য পথে দাপট দেখাল ব্রহ্মস মিসাইল এবং 'সূর্যাস্ত্র'।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সামনে প্রদর্শিত হল ভারতীয় সেনার অন্যতম শক্তি LR-AShM প্রদর্শন করা হবে। এটি একটি হাইপারসনিক গ্লাইড মিসাইল যা স্থির এবং চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং ১,৫০০ কিমি পর্যন্ত বিভিন্ন পেলোড বহন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে প্রথমবার প্রদর্শিত হল 'ব্রহ্মস', 'আকাশ' ও 'সূর্যাস্ত্র'।
ভারতীয় স্থলসেনার মেরুদণ্ড বলা হয় রুশ নির্মিত এই ট্যাঙ্কটিকে।
এদিনের প্রদর্শনীতে ছিল দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স আর্কিটেকচার, সাঁজোয়া ও যান্ত্রিক শক্তি, বিএমপি-২ ইনফ্যানট্রি কমব্যাট ভেহিকল। শত্রুর বুকে ভয় ধরানো নাগ মিসাইল সিস্টেম (নামিস-২), মনুষ্যবিহীন এবং রোবোটিক সিস্টেম, মনুষ্যবিহীন গ্রাউন্ড ভেহিকেল (ইউজিভি), ড্রোন শক্তি এবং লোটারিং মিউনিশন, এমআরএসএএম (অভ্র ওয়েপন সিস্টেম), আকাশ ওয়েপন সিস্টেম, গোয়েন্দা ও আকাশযান প্ল্যাটফর্ম ইত্যাদি।
