shono
Advertisement
Oil stock

মাত্র ১৮ দিনের মজুত? ইরান যুদ্ধে ১৫ শতাংশ কমল ভারতের অপরিশোধিত তেলের ভাণ্ডার

গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে ভারতে তেলের মজুত ছিল ১০৭ মিলিয়ন ব্যারেল। যা বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে ৯১ মিলিয়ন ব্যারেল। এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর), শোধনাগার এবং বাণিজ্যিক মজুতও।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 03:11 PM May 15, 2026Updated: 03:11 PM May 15, 2026

আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের জেরে বন্ধ হয়েছে হরমুজ প্রণালী। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে ভারতের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ভাণ্ডারে। রিপোর্ট বলছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের জেরে ভারতের জ্বালানি তেলের ভাণ্ডার কমে গিয়েছে ১৫ শতাংশ। কমোডিটি অ্যানালিটিক্স ফার্ম কেপলারের দাবি অনুযায়ী, তেল আমদানি কমে গেলেও ভারতের রিফাইনারিগুলি তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম জারি রেখেছে, যার জেরে ভাণ্ডারে টান পড়তে শুরু করেছে।

Advertisement

কেপলারের রিফাইনিং বিভাগের প্রধান নিখিল দুবে বলেন, যুদ্ধের আগে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণ ছিল দৈনিক গড়ে ৫ মিলিয়ন ব্যারেল। যুদ্ধ শুরুর পর গত আড়াই মাসে তা কমে দাঁড়ায় ৪.৫ মিলিয়ন ব্যারেল। আমদানির ঘাটতি মেটাতে তেল শোধনাগারগুলি জমিয়ে রাখা অপরিশোধিত তেল ব্যবহার করতে শুরু করেছে। এদিকে হরমুজ খুলে যে শীঘ্রই খুলবে এমন সম্ভাবনাও বিশেষ নেই। বিশেষজ্ঞদের দাবি, পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই সংকটের পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

যুদ্ধের আগে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণ ছিল দৈনিক গড়ে ৫ মিলিয়ন ব্যারেল। যুদ্ধ শুরুর পর গত আড়াই মাসে তা কমে দাঁড়ায় ৪.৫ মিলিয়ন ব্যারেল।

কেপলারের রিপোর্ট বলছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে ভারতে তেলের মজুত ছিল ১০৭ মিলিয়ন ব্যারেল। যা বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে ৯১ মিলিয়ন ব্যারেল। এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর), শোধনাগার এবং বাণিজ্যিক মজুতও। দৈনিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল ব্যবহারের ফলে এখন যত পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে তা ব্যবহার করা যাবে মাত্র ১৮ দিন। যদিও গত সোমবার সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল দেশের চাহিদা মেটাতে ৬০ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে দেশে। তবে রিপোর্ট বলছে, সরকারের এই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত পাইপলাইন ও তৈল জাহাজে মজুত তেলও। গত এপ্রিলে গুজরাটের নায়ারা এনার্জিতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ না চললে এই মজুত আরও কমতে পারত।

এদিকে সময় যত গড়াচ্ছে জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে গোটা দেশে। যুদ্ধের জেরে উপসাগরীয় দেশগুলির তেল উৎপাদন আগের তুলনায় ১৪.৪ মিলিয়ন ব্যারেল কমে গিয়েছে। এপ্রিল মাসে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ আরও ১.৮ মিলিয়ন ব্যারেল কমে ৯৫.১ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বব্যাপী সরবরাহে মোট ১২.৮ মিলিয়ন ব্যারেল ঘাটতি রেকর্ড করা হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement