shono
Advertisement
Devendra Nath Mahto

এ কেমন স্বাধীনতা! তেরঙ্গা যাত্রায় যোগে বাধা অনশনকারী দেবেন্দ্রকে, টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গেল হেমন্তর পুলিশ

ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আরও চাপে হেমন্ত সোরেনের সরকার।
Published By: Subhajit MandalPosted: 02:16 PM Aug 15, 2026Updated: 02:16 PM Aug 15, 2026

ফের বিতর্কে ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেনের প্রশাসন। এবার অনশনকারী ছাত্রনেতা দেবেন্দ্র মাহাতোকে তেরঙ্গা যাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। শুধু বাধা দেওয়া নয়, তাঁকে রীতিমতো মারধর করার এবং টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। যদিও পুলিশের সাফাই, স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই দেবেন্দ্রকে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে।

Advertisement

ঝাড়খণ্ডে প্রশ্নফাঁস এবং নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে গত ১৪ দিন ধরে অনশনে দেবেন্দ্র। ইতিমধ্যেই তাঁকে অনেকে ঝাড়খণ্ডের সোনম ওয়াংচুক বলা শুরু করেছেন। প্রথম কিছুদিন নির্জলা উপবাসের পর সোনমের অনুরোধে জলগ্রহণ করেন তিনি। তবে অনশন এখনও চলছে। দিন কয়েক আগে পড়ুয়াদের বিধানসভা ঘেরাও অভিযানের পর থেকেই রাঁচির সদর হাসপাতালে ভর্তি দেবেন্দ্র।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেবেন্দ্র অনশনরত অবস্থাতেই সমর্থকদের নিয়ে তেরঙ্গা যাত্রা করতে চেয়েছিলেন তিনি। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করারও ইচ্ছা ছিল তাঁর। কিন্তু অনুমতি দেয়নি হেমন্ত সোরেনের সরকার। একপ্রকার জোর করেই দেবেন্দ্র হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ তাঁকে জোর করে আটকে দেয়। হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। জোর করে তাঁকে বিছানায় টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। পুরো ঘটনা সোশাল মিডিয়ায় লিখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেবেন্দ্র। তাঁর প্রশ্ন, "এ কেমন স্বাধীনতা। আমাকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনেরও অনুমতি দেওয়া হল না।"

দেবেন্দ্র মাহাতো হাসপাতালে নিজের ঘরের বাইরেই ধরনায় বসে গিয়েছেন। তাঁর দাবি, যতক্ষণ না তাঁকে পতাকা উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হবে তিনি ধরনা দেবেন। ওই ছাত্রনেতার দাবি, তাঁর বুকে আঘাত লেগেছে। তাঁর সঙ্গীদের মারধর করেছে পুলিশ। তিনি বলছেন, "১৪ দিন অনশন করার পরও আমি আমার অধিকারের দাবিতে দৃঢ় পায়ে দাঁড়িয়ে আছি। এভাবে আমাদের আটকে দেওয়া যাবে না।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement