নিজের দপ্তরে বসে মহিলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা! এবার বড়সড় শাস্তি পেলেন সেই পুলিশ আধিকারিক। জানা গিয়েছে, ডিজিপি পর্যায়ের আধিকারিক রামচন্দ্র রাওকে সাসপেন্ড করেছে কর্নাটক সরকার। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিজের দপ্তরে বসে একাধিক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতেন তিনি। সেই ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশাল মিডিয়ায়। বিষয়টি কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের নজরে পড়ে। তারপরেই সাসপেন্ড করা হয় রামচন্দ্রকে।
গত বছর সোনা পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন দক্ষিণী অভিনেত্রী রানিয়া রাও। তাঁরই বাবা রামচন্দ্র রাওয়ের বিরুদ্ধে ছড়িয়েছে বিস্ফোরক অভিযোগ। সূত্রের খবর, বিভিন্ন সময়ে মাঝে মধ্যেই থানায় আসতেন বিভিন্ন মহিলা। অভিযোগ, প্রত্যেকই রামচন্দ্রের সঙ্গে দেখা করার কথা বলতেন। এরপর সেই মহিলারা সোজা চলে যেতেন ওই পুলিশ আধিকারিকের কেবিনে। সেখানেই তাঁদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতেন বলে অভিযোগ উঠেছে রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কেবিনে আপত্তিকর অবস্থায় মহিলাদের সঙ্গে রয়েছেন রামচন্দ্র। কখনও তিনি তাঁদের জড়িয়ে ধরছেন আবার কখনও তাঁদের চুম্বন করছেন। (যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে এই নিয়ে কোনও অভিযোগ দায়ের না হলেও, ভিডিও ভাইরাল হতেই নড়েচড়ে বসে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার দপ্তর। সূত্রের খবর, সোমবার ভিডিও ভাইরাল হতেই বিষয়টি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর।
সিদ্দারামাইয়া নিজে ওই ভাইরাল ফুটেজ দেখে অগ্নিশর্মা হয়ে গিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। পুলিশ আধিকারিকদের এহেন আচরণ দেখে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। তারপর মঙ্গলবার সকালেই রামচন্দ্রকে সাসপেন্ড করে দিয়েছে কর্নাটক সরকার। গোটা ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক বাগযুদ্ধও শুরু হয়েছে কংগ্রেসশাসিত কর্নাটকে। যদিও সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন রামচন্দ্র। তাঁর দাবি, ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়ো। তবে সরকারি বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে। সেই সময় তিনি অন্যত্র যেতেও পারবেন না।
