shono
Advertisement
Andhra Pradesh

স্ত্রীর ব্যাভিচার প্রমাণে সন্তানের ডিএনএ টেস্টের দাবি স্বামীর, কী বলল আদালত?

বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন স্ত্রীর পরিত্যাগের ভিত্তিতে দাখিল করা হয়েছিল। তবে ডিএনএর টেস্টের দাবি ছিল, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগের উপর ভিত্তি করে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:27 PM Mar 18, 2026Updated: 05:16 PM Mar 18, 2026

স্ত্রী ব্যাভিচারিণী। তাঁর গর্ভে জন্ম নেওয়া সন্তান হয়ত অন্য কারও। স্ত্রীর বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলে বিবাহবিচ্ছেদের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন স্বামী। শুধু তাই নয়, ব্যাভিচার প্রমাণ করতে আদালতে সন্তানের ডিএনএ টেস্টের দাবিও জানান। তবে সে আর্জি খারিজ করে দিল আদালত। স্পষ্ট ভাষায় আদালত জানিয়ে দিয়েছে, স্ত্রীর ব্যাভিচার প্রমাণ করার জন্য সন্তানের ডিএনএ টেস্ট করা যায় না।

Advertisement

সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশ হাই কোর্টে বিবাহ বিচ্ছেদ মামলা দায়ের করেছিলেন এক যুবক। বিবাহ বিচ্ছেদের নেপথ্যে যুবকের যুক্তি ছিল, তাঁর স্ত্রী ব্যাভিচারিণী। ২ বছর ধরে স্ত্রী তাঁর সঙ্গে থাকেন না। তাই বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেওয়া হোক। মামলা চলাকালীন আরও অভিযোগ করা হয়, একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে স্ত্রীর। এই অবস্থায় ব্যাভিচার প্রমাণ করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানান, দুই সন্তানের ডিএনএ টেস্ট করার। গত ১২ মার্চ এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি টি আর রাও জানান, "স্ত্রীর ব্যাভিচার প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে আবেদনকারী (স্বামী) তাঁর সন্তানদের ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানাতে পারেন না।" আদালত আরও বলে, "স্ত্রী ব্যাভিচার করেছে, তর্কের খাতিরে ধরে নিলেও ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা যায় না। বিশেষ করে যখন সন্তানরা বাবার কাছ থেকে কোনও ভরণপোষণ চাইছে না। তারা এই মামলার পক্ষও। ফলে স্ত্রী বিশ্বাসভঙ্গ করেছে এমন কোনও প্রমাণ অন্য কোনওভাবে পেশ করতে হবে।"

বিচারপতি টি আর রাও জানান, "স্ত্রীর ব্যাভিচার প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে আবেদনকারী (স্বামী) তাঁর সন্তানদের ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানাতে পারেন না।"

আদালত আরও জানিয়েছে, "আদালত এই ধরনের কোনও নির্দেশ দিতে পারে না, কারণ এর ফলে শিশুর সুনাম ও সামাজিক মর্যাদা খুন্ন হবে। এখানে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন স্ত্রীর পরিত্যাগের ভিত্তিতে দাখিল করা হয়েছিল। তবে ডিএনএর টেস্টের দাবি ছিল, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগের উপর ভিত্তি করে। এই দাবি মূল কারণের মূল কারণের উপর ভিত্তি করে হয়নি।" মামলা খারিজ করার পাশাপাশি মামলাকারী যুবককে ৩০০০ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। তিন সপ্তাহের মধ্যে টাকা জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement