ইরান যুদ্ধে জ্বালানি সংকটে জেরবার দেশ। কিছু ক্ষেত্রে বেশি দাম দিয়েও মিলছে না গ্যাস। এর পরে কি যুদ্ধের কারণে বিঘ্নিত হবে বিদ্যুৎ পরিষেবা? চোখে অন্ধকার দেখবে দেশ? শনিবার 'ভারত বিদ্যুৎ সম্মেলন ২০২৬'-এ জবাব দিলেন কেন্দ্রের শক্তি সম্পদ মন্ত্রকের সচিব পঙ্কজ অগরওয়াল। কী বলেছেন তিনি?
এদিন পঙ্কজ নিশ্চিত করেছেন যে ইরানে যুদ্ধের জেরে বিদ্যুতের সংকট তৈরি হবে না। যেহেতু দেশে গ্যাসের শক্তিতে চলা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা নগন্য। সামান্যই প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, "আমাদের (বিদ্যুতের) চাহিদা মেটাতে খুব বেশি গ্যাস ব্যবহার করতে হয় না। ইতিমধ্যে প্রায় আড়াই গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা রয়েছে, যা অফ-গ্রিড। ফলে তা নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে এর উপরে কোনও প্রভাব পড়েনি।" যোগ করেন, অতিরিক্ত বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলির শক্তি কাজে আসে। পাশাপাশি অতিরিক্ত চাহিদার যোগান দিতে কয়লার শক্তিতে চলা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিও রয়েছে।
কেন্দ্রের শক্তি সম্পদ মন্ত্রকের সচিব আরও বলেন, বর্তমান অবস্থায় মুন্দ্রায় একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা হচ্ছে। ওই কেন্দ্রটি প্রায় ৪,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। এই সঙ্গে পঙ্কজ জানান, বিকল্প শক্তিতে বিদ্যুৎ তৈরির দিকেও নজর দিচ্ছে কেন্দ্র। এর মধ্যে রয়েছে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং বাতাসভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। ভবিষ্যতে জ্বালানি নিঃশেষিত হবেই। তখন জলবিদ্যুৎ-সহ বিকল্প শক্তির উৎসই বাঁচাবে দেশ তথা মানব সভ্যতাকে।
