shono
Advertisement

Breaking News

Vande Mataram

'জনগণ'র সমমর্যাদা! 'বন্দে মাতরমে'র অপমানেও এবার জেল, রাজ্যসভায় পাশ সংশোধনী বিল

সংসদের বাদল অধিবেশনের বিল পেশ করবেন, আগেই জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
Published By: Kishore GhoshPosted: 04:24 PM Jul 29, 2026Updated: 04:51 PM Jul 29, 2026

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত জাতীয় সঙ্গীত 'জনগণ'র মতোই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-কে অপমান করলে পেতে হবে কঠিন শাস্তি। হতে পারে কারাদণ্ডও। বুধবার সংসদে এই সংক্রান্ত বিল (জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬) পাশ করল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

Advertisement

এদিন অধিবেশন শুরু হতেই ‘নিট’ প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি বলপ্রয়োগ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাব চেয়ে স্লোগান দিতে থাকেন বিরোধীরা। উচ্চকক্ষে হট্টগোলের মধ্যেই বিলটি পাশের জন্য উত্থাপন করা হয়। পরে বিল নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধীরা কক্ষত্যাগ করেন। এরপর ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে যায় জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬।

এই বিলটির মাধ্যমে ১৯৭১ সালের জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ আইনে সংশোধনী আনল কেন্দ্র। মূল আইনে দেশের জাতীয় পতাকা, সংবিধান, জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা বা অসম্মানকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় রাখা হয়েছে। এর জন্য তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। উল্লেখ্য, জাতীয় গানকে এত দিন এই আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এবার সেটাই করা হল। বলা বাহুল্য, এর ফলে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম্‌’-কে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র সমান আইনি মর্যাদা দেওয়া হল। 

উল্লেখ্য, চলতি বছরে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দেশাত্মবোধক গান বন্দে মাতরম্‌-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে। ১৮৭৫ সালে লেখা এই গান প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে। ১৮৯৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এই গান গেয়েছিলেন। ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল বন্দে মাতরমের কথা ও ভাবনা। কংগ্রেস জমানায় জাতীয় গানের মর্যাদা বৃদ্ধির পক্ষে বার বার সওয়াল করে এসেছে বিজেপি। এবার সেই কাজ তারা নিজেরাই করল। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement